ঢাকা | সোমবার, ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬,১৩ আশ্বিন ১৪৩৩

শিক্ষক-কর্মচারীদের পে-স্কেলের পৃথক প্রজ্ঞাপন কবে, যা বললেন শিক্ষামন্ত্রী

বেসরকারি স্কুল-কলেজ, মাদ্রাসা ও কারিগরি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে কর্মরত এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীদের নবম পে-স্কেলের আওতায় আনার প্রক্রিয়া চলছে। তবে এটি আনুষ্ঠানিকভাবে কার্যকর করতে একটি পৃথক প্রজ্ঞাপন জারি করা প্রয়োজন। এই প্রজ্ঞাপন জারি না হওয়ায় প্রায় ৬ লাখ শিক্ষক-কর্মচারীর মধ্যে চরম উদ্বেগ সৃষ্টি হয়েছে।এ বিষয়ে স্পষ্ট বার্তা দিয়েছেন শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন।

আজ (সোমবার, ২৮ সেপ্টেম্বর) সচিবালয়ে বিশ্ব শিক্ষক দিবস উপলক্ষে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে তিনি জানান, এই বিষয়টি বর্তমানে অর্থ মন্ত্রণালয়ের (Ministry of Finance) বাস্তবায়নাধীন রয়েছে।

সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, “এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীদের পে-স্কেলের পৃথক প্রজ্ঞাপন জারি করবে অর্থ মন্ত্রণালয়। তারা বিষয়টি নিয়ে সক্রিয়ভাবে কাজ করছে। যেহেতু এটি অন্য একটি মন্ত্রণালয়ের একতীয় বিষয়, তাই এ নিয়ে আমার মন্তব্য করা সমীচীন হবে না।”

গেজেট জারির প্রক্রিয়া ও নিয়মাবলী

শিক্ষা মন্ত্রণালয় (Ministry of Education) এবং অর্থ মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, নবম জাতীয় পে-স্কেলে বেসরকারি শিক্ষকদের অন্তর্ভুক্তির নির্দিষ্ট নিয়ম রয়েছে:

১. চিঠি প্রেরণ (Sending Letter): শিক্ষা মন্ত্রণালয় থেকে অর্থ মন্ত্রণালয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে চিঠি পাঠাতে হবে।
২. অর্থ মন্ত্রণালয়ের সম্মতি (Finance Ministry Approval): ওই চিঠির পর্যালোচনা শেষে অর্থ মন্ত্রণালয় এমপিওভুক্ত জনবলকে সুবিধা দেওয়ার বিষয়ে তাদের সম্মতি জানাবে।
৩. গেজেট প্রকাশ (Official Gazette): অর্থ মন্ত্রণালয়ের সম্মতিপত্র পাওয়ার পরই আনুষ্ঠানিকভাবে নতুন পে-স্কেলের গেজেট জারি করা সম্ভব হবে।

অর্থ মন্ত্রণালয় থেকে চূড়ান্ত সবুজ সংকেত ও সম্মতি না পাওয়া পর্যন্ত এই পৃথক গেজেট জারি করা সম্ভব নয় বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র নিশ্চিত করেছে।

সংবাদ সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষা উপদেষ্টা মাহদী আমিন, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম, মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের সচিব আবদুল খালেক এবং মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক ড. খান মইনুদ্দিন আল মাহমুদ সোহেলসহ শিক্ষা প্রশাসনের শীর্ষ কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।