হবিগঞ্জে জেলা বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সদস্যসচিব মাহদী হাসানসহ ৩ জনকে আটকের ২১ ঘণ্টা পর মুচলেকা নিয়ে ছেড়ে দিয়েছে পুলিশ। আজ মঙ্গলবার বেলা তিনটার দিকে তাঁদের ছেড়ে দেওয়া হয়। গতকাল সোমবার বিকেল সাড়ে পাঁচটার দিকে হবিগঞ্জ শহরের কোর্ট মসজিদের সামনে থেকে তাঁদের আটক করা হয়েছিল।
পুলিশ জানিয়েছে, অভিভাবকেরা মুচলেকা দেওয়ার পর মাহদী হাসান, সংগঠনের সদস্য মীর্জা সুমন ও রাজু আহমেদকে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে।
ছাড়া পাওয়ার পর মাহদী হাসান সাংবাদিকদের বলেন, ‘পুলিশ মুখে বলে আমার নিরাপত্তার কথা বিবেচনায় নিয়ে আমাকে থানায় রেখেছে। অথচ যারা আমার জন্য হুমকি, তাদের কিছুই করল না। আমাকে ২১ ঘণ্টা আটকে রেখে অন্য রকম শাস্তি দিল।’
গত জানুয়ারিতে একটি বক্তব্য দিয়ে আলোচনায় এসেছিলেন মাহদী হাসান। ওই সময় তিনি বলেছিলেন, ‘বানিয়াচং থানা কিন্তু আমরা পুড়িয়ে দিয়েছিলাম, এসআই সন্তোষকে কিন্তু আমরা জ্বালাই দিয়েছিলাম।’ ওই বক্তব্যের পর পুলিশ তাঁকে আটক করলেও পরে ছেড়ে দেয়।
গতকাল বিকেলে হবিগঞ্জ জেলা বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের পক্ষ থেকে শহরের কোর্ট মসজিদের সামনে বিক্ষোভ মিছিল ও প্রতিবাদ সভার প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছিল। কর্মসূচির আয়োজনের সময় বিকেল সাড়ে পাঁচটার দিকে হবিগঞ্জ সদর মডেল থানার একদল পুলিশ সেখানে যায়। পরে মাহদী হাসানসহ তিনজনকে আটক করে থানায় নিয়ে যাওয়া হয়। এ সময় সংগঠনের নেতা-কর্মীরা প্রতিবাদ করতে চাইলে পুলিশ তাঁদের ছত্রভঙ্গ করে দেয়।
আজ বেলা তিনটার দিকে মাহদী হাসানের বাবা তৈয়বুর রহমানসহ আটক তিনজনের অভিভাবক থানায় যান। পরে মুচলেকা দিয়ে তাঁদের ছাড়িয়ে নেন।
আটক তিনজনকে আজ বেলা তিনটার দিকে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে জানিয়ে হবিগঞ্জ সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জাহিদুল হক বলেন, তাঁদের অভিভাবকেরা মুচলেকা দিয়ে নিয়ে গেছেন। তবে ওই মুচলেকায় কী লেখা ছিল, সে বিষয়ে তিনি কিছু জানাননি।





