ঢাকা | মঙ্গলবার, ১৮ আগস্ট ২০২৬,৩ ভাদ্র ১৪৩৩

আরো এক বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের অনুমোদন

নতুন আরো একটি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় অনুমোদন পেয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয়টির নাম ‘ইকো ইউনিভার্সিটি অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি (ইইউএসটি), ঠাকুরগাঁও’। বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা ইকো সোশ্যাল ডেভেলপমেন্ট অর্গানাইজেশনের (ইএসডিও) উদ্যোগে প্রতিষ্ঠা হতে যাওয়া বিশ্ববিদ্যালয়টি কয়েকটি শর্তে সাময়িক সরকারি অনুমোদন লাভ করে।

সোমবার শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের এক চিঠিতে এ তথ্য জানা গেছে। ইএসডিও কর্তৃপক্ষও আনুষ্ঠানিকভাবে বিষয়টি নিশ্চিত করে। জানা গেছে, ঠাকুরগাঁও সদরের পূর্ব নারগুন নামক জায়গায় অস্থায়ীভাবে শিক্ষা কার্যক্রম পরিচালনার করবে বিশ্ববিদ্যালয়টি।

শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের চিঠিতে বলা হয়, বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় আইন, ২০১০ এর ধারা-০৬ অনুযায়ী নিম্নবর্ণিত শর্তগুলো প্রতিপালন সাপেক্ষে প্রস্তাবিত ইকো ইউনিভার্সিটি অব সায়েন্স এন্ড টেকনোলজি (ইইউএসটি), ঠাকুরগাঁও-এর স্থাপন ও পরিচালনার জন্য এই আইনের ধারা-৭ অনুযায়ী সাময়িক অনুমতি দেয়া হলো।

শর্তগুলোর মধ্যে অন্যতম হলো: সাময়িক অনুমতির মেয়াদ হবে অনুমতি দেয়ার তারিখ থেকে পরবর্তী ৭ বছর। প্রস্তাবিত বিশ্ববিদ্যালয় বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় আইন, ২০১০ এ বর্ণিত সব বিধান ও শর্ত মেনে চলবে। সোসাইটিজ রেজিস্ট্রেশন এ্যাক্ট, ১৮৬০ অনুযায়ী বোর্ড অব ট্রাস্টিজ রেজিস্ট্রেশন সম্পাদন করে তা মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগে-এ পাঠাতে হবে। পাঠদানের জন্য প্রস্তাবিত বিশ্ববিদ্যালয়ের পর্যাপ্ত সংখ্যক শ্রেণিকক্ষ, লাইব্রেরি, ল্যাবরেটরি, মিলনায়তন, সেমিনার কক্ষ, অফিস কক্ষ, শিক্ষার্থীদের পৃথক কমনরুম এবং প্রয়োজনীয় অন্যান্য কক্ষের জন্য পর্যাপ্ত স্থান ও অবকাঠামো থাকতে হবে। প্রস্তাবিত বিশ্ববিদ্যালয়ের অন্যূন ২৫ হাজার বর্গফুট আয়তনবিশিষ্ট নিজস্ব বা ভাড়াকৃত ভবন থাকতে হবে। প্রস্তাবিত বিশ্ববিদ্যালয়ে ন্যূনতম ৩টি অনুষদ এবং এই অনুষদের অধীন অন্যূন ৬টি বিভাগ থাকতে হবে। প্রস্তাবিত বিশ্ববিদ্যালয় এর শিক্ষা কার্যক্রম সম্পর্কিত একটি পরিকল্পনা প্রণয়ন করবে, যা বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশন কর্তৃক আগে অনুমোদিত হতে হবে। প্রস্তাবিত বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রত্যেক বিভাগ, প্রোগ্রাম ও কোর্সের জন্য বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশন কর্তৃক নির্ধারিত সংখ্যক পূর্ণকালীন যোগ্য শিক্ষক নিয়োগ করতে হবে।

উদ্যোক্তারা জানান, বিশ্ববিদ্যালয়টি শুধু ডিগ্রি দেয়ার মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকবে না, বরং দক্ষ মানবসম্পদ, আধুনিক গবেষণা ও তরুণ উদ্যোক্তা তৈরির একটি মূল কেন্দ্র (হাব) হিসেবে কাজ করবে। প্রতিষ্ঠানটির মূল দর্শন নির্ধারণ করা হয়েছে—‘শিক্ষা থেকে দক্ষতা, দক্ষতা থেকে উদ্ভাবন এবং উদ্ভাবন থেকে কর্মসংস্থান।