ঢাকা | মঙ্গলবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬,৭ আশ্বিন ১৪৩৩

তুরস্কের স্কুলে শিক্ষার্থীসহ ১১ জনকে গুলি

তুরস্কে একটি উচ্চ বিদ্যালয়ের বাইরে গুলিবর্ষণে অন্তত ১১ জন আহত হয়েছে। এ ঘটনায় এক কিশোরকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। আহতদের মধ্যে শিক্ষার্থীও রয়েছে বলে জানা গেছে। খবর বিবিসি ও আল জাজিরার।

মঙ্গলবার (২২ সেপ্টেম্বর) সকালে বন্দুকধারী গুলি চালিয়ে পালিয়ে গেলে দুজন গুরুতর আহত অবস্থায় হাসপাতালে ভর্তি হন।

ঘটনাটি ঘটেছে তুরস্কের পশ্চিমাঞ্চলীয় মানিসা প্রদেশের ইনজি উজমেজ ভোকেশনাল অ্যান্ড টেকনিক্যাল আনাতোলিয়ান হাই স্কুলে। দেশটির বিচারমন্ত্রী আকিন গুরলেক জানিয়েছেন, সন্দেহভাজনের মা, বাবা এবং দাদাকেও আটক করা হয়েছে।

এটি এ বছর তুরস্কে তৃতীয় স্কুলে গুলিবর্ষণের ঘটনা। এমন একটি সময়ে এ ঘটন ঘটলো, যখন সরকার সাম্প্রতিক সহিংসতার ঢেউ মোকাবিলা করার চেষ্টা করছে।

সিসিটিভি ফুটেজে দেখা গেছে, সন্দেহভাজন ব্যক্তি ফাঁকা রাস্তায় হাঁটতে হাঁটতে একটি শটগান পরীক্ষা করছে, যা স্পষ্টভাবে দৃশ্যমান। সে সাধারণ পোশাক পরা এবং তাড়াহুড়ো করছে না বলে মনে হয়।

পরে ধারণ করা ফুটেজে ওই সন্দেহভাজনকে অস্ত্রটি হাতে নিয়ে ঘটনাস্থল থেকে দৌড়ে পালাতে দেখা যায়। জানা গেছে, সে ওই স্কুলেরই একজন শিক্ষার্থী।

হামলার উদ্দেশ্য তাৎক্ষণিকভাবে পরিষ্কার হয়নি। তুর্কি আইন অনুযায়ী, ওই কিশোরকে আনুষ্ঠানিকভাবে গ্রেপ্তার হওয়ার আগে আদালতে হাজির হতে হবে।

এক বিবৃতিতে তুরস্কের শিক্ষা মন্ত্রণালয় বলেছে, ঘটনাটি ‘আমাদের জাতিকে গভীরভাবে দুঃখিত করেছে, বিশেষ করে আমাদের শিক্ষা সম্প্রদায়কে।’ মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, তিনজন জাতীয় তদন্তকারীকে মানিসায় পাঠানো হয়েছে।

এপ্রিল মাসে দুটি প্রাণঘাতী স্কুলে গুলিবর্ষণের ঘটনা তুরস্কে ব্যাপক ক্ষোভ সৃষ্টি করে এবং ২০২৬-২০২৭ শিক্ষাবর্ষের জন্য নতুন নিরাপত্তা ব্যবস্থা আনা হয়, যার মধ্যে কঠোর অস্ত্র নিয়ন্ত্রণও ছিল। এর আগে দেশটিতে স্কুলে গুলিবর্ষণের ইতিহাস ছিল না।

কাহরামানমারাসে এক হামলায় ১৪ বছর বয়সী এক কিশোর ১০ ও ১১ বছর বয়সী নয়জন শিক্ষার্থী এবং একজন শিক্ষককে হত্যা করে। বন্দুকধারী ঘটনাস্থলেই মারা যায়।