ঢাকা | মঙ্গলবার, ২৬ মে ২০২৬,১২ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩

ঈদের ছুটিতে তরুণ স্পিনারদের নিয়ে সময় কাটাচ্ছেন তাইজুল

ঈদের ছুটিতে নিজ এলাকা নাটোরে গিয়ে তরুণ স্পিনারদের নিয়ে সময় কাটাচ্ছেন জাতীয় দলের স্পিনার তাইজুল ইসলাম। নাটোর জেলা স্টেডিয়ামে নিজ উদ্যোগে আয়োজন করেছেন স্পিন বোলিং ক্যাম্প। যেখানে অংশ নিচ্ছেন শতাধিক তরুণ স্পিনার।

সদ্যই শেষ করলেন পাকিস্তানের বিপক্ষে টেস্ট সিরিজ। যেখানে বল হাতে উজ্জ্বল ছিলেন টাইগার স্পিনার তাইজুল ইসলাম। ঈদ ছুটিতে নিজ এলাকা নাটরে আছেন তিনি।

ছুটিতে আসলেও ব্যস্ততাতেই দিন পার হচ্ছে তাইজুলের। জাতীয় দলের স্পিনার তাইজুল ইসলাম বেছে নিয়েছেন ভিন্ন এক পথ। প্রতিভাবান স্পিনার খুঁজতে তরুণদের নিয়ে জেলা স্টেডিয়ামে তালিম দিচ্ছেন দেশসেরা এই স্পিনার।

স্পিনার তৈরির লক্ষ্য নিয়ে নিজেই আয়োজন করেছেন দুদিনের বিশেষ ক্যাম্পেইন। যেখানে তরুণ স্পিনারদের বোলিং কৌশল, লাইন-লেন্থ, টার্ন ও মানসিক প্রস্তুতির নানা দিক শেখাচ্ছেন জাতীয় দলের এই অভিজ্ঞ ক্রিকেটার। তাইজুল নিজেই জানিয়েছেন এমন উদ্যোগের কারণ।

তাইজুল ইসলাম বলেন, ‘আমি যে দুই চারদিনের জন্য আসি, তো আমি একজন ক্রিকেটার হিসেবে আমার নাটোরে এসে যদি আমি দুইদিন একটু কাজ করতে পারি, আমি যে বিষয়ে এক্সপার্ট আছি। তো এই কাজগুলো করলে আসলে ভবিষ্যতে আরও যেন দুই একজন যদি ন্যাশনাল টিমে আসতে পারে, ভালো একটা পর্যায়ে আসতে পারে, আসলে এটা একটা ভালো লাগার বিষয়।’

তাইজুলের এমন উদ্যোগকে ইতিবাচক হিসেবে দেখছেন নাটর জেলার বিসিবি কাউন্সিলর ফরহাদ আলী শাহীন। জানিয়েছেন, তাইজুল ইসলামের এমন উদ্যোগে নাটোর থেকে নতুন প্রজন্মের প্রতিভাবান স্পিনার উঠে আসবে।

নাটোর বিসিবি কাউন্সিলর ফরহাদ আলী দেওয়ান শাহীন বলেন, ‘খুবই ভালো উদ্যোগ। তাইজুলকে অনেক অনেক ধন্যবাদ এবং থ্যাংক ইউ জানাচ্ছি। তাইজুল যেমন একটা নাটোরের গর্ব আমাদের এবং আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন প্লেয়ার এরইমধ্যে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করেছেন। সে নিজে যে স্বউদ্যোগে সে ছুটিতে এসে তার বন্ধু-বান্ধবের সঙ্গে ঘুরে বেড়ানোর কথা বা বিভিন্ন জায়গায় ঘোরার কথা, বেড়ানোর কথা—সেটা ছেড়ে যে নাটোরের ছেলেদের একটা ভালো স্পিনার হিসেবে তৈরি করা বা আরও একটা আরও তাইজুল সৃষ্টি করার জন্য যে উদ্যোগ নিয়েছেন।’

এমন সুযোগ পেয়ে খুশি তরুণ স্পিনাররাও। জাতীয় দলের তারকা স্পিনারের থেকে দীক্ষা পাওয়ার অভিজ্ঞতা কাজে লাগিয়ে ভালো কিছু করতে আশাবাদী তারা।

তরুণ স্পিনারদের মধ্যে একজন বলেন, ‘আমাদের যেগুলো ভুল, সেগুলোই উনি হচ্ছে ভালোভাবে, নিখুঁতভাবে শিখায় দিচ্ছেন।’

অন্য একজন বলেন, ‘আমার বোলিং গ্রিপটা চেঞ্জ করে দিছে, অ্যাকশনটা ঠিক আছে, বোলিং স্পটটা ঠিক আছে।’

এসময় যেন ঈদ আনন্দ নেমে আসে মাঠজুড়ে। তাইজুলকে ঘিরে চলে তরুণদের অটোগ্রাফ, সেলফি-ছবি তোলার উৎসব।