দেশের সরকারি ও স্বায়ত্তশাসিত শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের অধীনে থাকা ৩ দশমিক ৫ একরের কম আয়তনের অখণ্ড, অব্যবহৃত ও নিষ্কণ্টক জমির তথ্য জরুরি ভিত্তিতে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছে মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তর (মাউশি)। জমির দাগ ও খতিয়ান নম্বরসহ নির্ধারিত ছকে এসব তথ্য আগামী তিন কর্মদিবসের মধ্যে পাঠাতে বলা হয়েছে।
রোববার (২০ সেপ্টেম্বর) মাউশির সহকারী পরিচালকের (সাধারণ প্রশাসন) স্বাক্ষর করা এক অফিস আদেশে এ নির্দেশনা দেওয়া হয়।
গত ১৬ সেপ্টেম্বর শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগ থেকে পাঠানো স্মারক এবং প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের পাবলিক প্রাইভেট পার্টনারশিপ (পিপিপি) কর্তৃপক্ষের সভার কার্যবিবরণীর ভিত্তিতে এ নির্দেশনা দেওয়া হয়।
নির্দেশনায় বলা হয়, সংশ্লিষ্ট অঞ্চলের অধীন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোর ৩ দশমিক ৫ একরের কম আয়তনের অখণ্ড, অব্যবহৃত ও নিষ্কণ্টক জমির দাগ ও খতিয়ান নম্বরসহ পূর্ণাঙ্গ তথ্য জেলাভিত্তিকভাবে নির্ধারিত ছকে তৈরি করে সফট কপি পাঠাতে হবে মাউশির নির্ধারিত ই-মেইল ঠিকানায় (ad-admin@dshe.gov.bd)।
মাউশির আওতাধীন কলেজ, টিচার্স ট্রেনিং কলেজ, এইচএসটিটিআই ও সরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয়গুলোর জমির তথ্য এ তালিকায় অন্তর্ভুক্ত হবে।
এর আগে ১৬ সেপ্টেম্বর পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের তাগিদপত্রের পরিপ্রেক্ষিতে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত এক সভায় বিভিন্ন মন্ত্রণালয় ও বিভাগের অধীন ৩ দশমিক ৫ একরের কম আয়তনের অব্যবহৃত জমি তালিকাভুক্ত করার বিষয়ে সিদ্ধান্ত হয়। এসব জমি নবায়নযোগ্য জ্বালানিনির্ভর বিদ্যুৎ উৎপাদন ও বৃক্ষরোপণের কাজে ব্যবহারের বিষয়টি সভায় আলোচনা করা হয়।
ওই সিদ্ধান্তের পরিপ্রেক্ষিতেই মাউশি এর অধীনে থাকা শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোর জমির তথ্য সংগ্রহ করছে।




