ঢাকা | মঙ্গলবার, ১৯ মে ২০২৬,৫ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩

এক শিশুর চিঠিতে প্রধানমন্ত্রীর সেতু নির্মাণের নির্দেশ

পটুয়াখালীতে প্রস্তাবিত নবম বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সেতু নির্মাণের উদ্যোগ নেয়া হয়েছে একটি শিশুর লেখা চিঠির সূত্র ধরে। প্রধানমন্ত্রীর কাছে লেখা ওই শিশুর চিঠির প্রেক্ষিতেই তিনি সেতুটির সম্ভাব্যতা যাচাইয়ের নির্দেশ দেন বলে জানিয়েছেন সড়ক পরিবহন ও সেতু, রেলপথ এবং নৌপরিবহন মন্ত্রী শেখ রবিউল আলম। দ্রুত সময়ের মধ্যে এই সেতুর নির্মাণকাজ শুরু হবে বলেও আশ্বস্ত করেছেন তিনি।

মঙ্গলবার (১৯ মে) দুপুরে পটুয়াখালীর লোহালিয়া নদীর ওপর দুমকি উপজেলার চর গরবদী ও বাউফল উপজেলার বগা প্রান্তে প্রস্তাবিত সেতু নির্মাণের স্থান সরেজমিন পরিদর্শন করেন মন্ত্রী।

পরিদর্শন শেষে তিনি বলেন, ‘ইতোমধ্যে সেতুটির সম্ভাব্যতা যাচাই সম্পন্ন হয়েছে এবং বিষয়টি পরিকল্পনার আওতায় আছে। নকশা চূড়ান্ত হলে আগামী তিন মাসের মধ্যে চুক্তি সম্পন্ন হবে। চলতি বছরের শেষ নাগাদ অথবা আগামী বছরের শুরুতে সেতুটির কাজ শুরু হবে।’

পটুয়াখালীর বাউফলে সুধী সমাবেশের প্যান্ডেলে প্রধানমন্ত্রীর ছবি না থাকায় বিএনপি ও জামায়াত কর্মীদের মধ্যে ধাক্কাধাক্কির ঘটনা ঘটে। ছবি: সংগৃহীত

স্থান পরিদর্শন শেষে চর গরবদী ইসলামিয়া দাখিল মাদরাসা প্রাঙ্গণে আয়োজিত সুধী সমাবেশে অংশ নেন মন্ত্রী। তবে বগা প্রান্তে সুধী সমাবেশের জন্য নির্মিত মঞ্চের ব্যানারে প্রধানমন্ত্রীর ছবি না থাকায় সেখানে মন্ত্রীকে যেতে বাধা দিয়ে পথ অবরোধ করে রাখেন বিএনপি নেতাকর্মীরা। এ সময় মন্ত্রীকে সামনে রেখেই জামায়াত ও বিএনপি সমর্থকদের মধ্যে ধাক্কাধাক্কি ও হট্টগোলের ঘটনা ঘটে।

লোহালিয়া নদীর ওপর চর গরবদী ও বগা প্রান্তে একটি সেতু নির্মাণ এ অঞ্চলের মানুষের দীর্ঘদিনের দাবি ছিল। মন্ত্রীর এই পরিদর্শনের সময় পটুয়াখালী-১ আসনের সংসদ সদস্য এয়ার ভাইস মার্শাল আলতাফ হোসেন চৌধুরী, পটুয়াখালী-২ আসনের সংসদ সদস্য ড. শফিকুল ইসলাম মাসুদ, জেলা প্রশাসক ড. মো. শহীদ হোসেন চৌধুরী, জেলা পরিষদ প্রশাসক ও জেলা বিএনপির সভাপতি স্নেহাংশু সরকার কুট্টি এবং পুলিশ সুপার মো. আবু ইউসুফসহ সড়ক, জনপথ ও সেতু বিভাগের কর্মকর্তা এবং বিএনপি ও জামায়াতের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।