ঢাকা | শনিবার, ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬,৪ আশ্বিন ১৪৩৩

ইবিতে বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের নেতৃবৃন্দকে ইউট্যাবের সংবর্ধনা

বিভিন্ন সরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য, উপ-উপাচার্য ও কোষাধ্যক্ষদের সম্মানে সংবর্ধনা ও সম্মাননা প্রদান করেছে ইউনিভার্সিটি টিচার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (ইউট্যাব), ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় শাখা।

শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) দুপুর ১টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের মীর মোশাররফ হোসেন ভবনে এ সংবর্ধনা অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

ইউট্যাব ইবি শাখার ভারপ্রাপ্ত সভাপতি অধ্যাপক মোহাম্মদ সেলিমের সভাপতিত্বে ও ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক ড. রশিদুজ্জামানের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে সংবর্ধিত অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ কে এম মতিনুর রহমান, ইসলামী আরবি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আবু জাফর খান, মেহেরপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোহা. তোজাম্মেল হোসেন, সুনামগঞ্জ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. জাকির হুসাইন, ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. মমতাজ হোসেন এবং কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. ইদ্রিস আলী।

সুনামগঞ্জ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. জাকির হুসাইন বলেন, ‘ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় আমার প্রাণের প্রতিষ্ঠান। এই বিশ্ববিদ্যালয়ে লেখাপড়া করবো সেই প্রত্যাশা থেকেই ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার আন্দোলনে অংশ নিয়েছিলাম। আমাদের বিশ্ববিদ্যালয়ে থেকে অনেকেই দেশের বিভিন্ন জায়গায় দায়িত্ব পেয়েছেন। এটি আমাদের জন্য গর্বের।’

ইসলামী আরবি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আবু জাফর খান বলেন, ‘বিশ্ববিদ্যালয়ের সম্মান ও অগ্রগতিকে ত্বরান্বিত করার জন্য জাতীয়তাবাদী শক্তির সবাইকে অতীতের কথা ভুলে সবাইকে একযোগে কাজ করতে হবে।’

মেহেরপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. তোজাম্মেল হোসেন বলেন, ‘আমাকে যে বিশ্ববিদ্যালয়ের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে, সেটি একদমই নতুন একটি বিশ্ববিদ্যালয়। সেখানে সবকিছুই একদম শুরু থেকে শুরু করতে হচ্ছে। বিভাগ চালু, শ্রেণিকক্ষের ব্যবস্থা, জমি অধিগ্রহণ, প্রশাসনিক কার্যক্রম শুরু করছি। আশা করছি, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী ও আচার্যের প্রত্যাশা যথাযথভাবে পূরণ করতে পারবো।’

ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ কে এম মতিনুর রহমান বলেন, ‘আমাদের বিশ্ববিদ্যালয়ের দশের অধিক অ্যালামনাই বিভিন্ন জায়গায় রাষ্ট্রীয় দায়িত্ব পেয়েছেন। এটি আমাদের জন্য অত্যন্ত গর্বের। ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে অতীতের কাজগুলো স্বচ্ছতার সাথে করা হয়নি। আমাদের জায়গায় থেকে আমরা স্বচ্ছতারও জবাবদিহিতা নিশ্চিতে সর্বোচ্চ চেষ্টা করছি।’