ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) বিজয় একাত্তর হলে ছাত্রদলের ‘দেয়াললিখন’ কর্মসূচিতে ছাত্রশিবির নেতার বাঁধার দেওয়ার ঘটনা ঘটেছে। ছাত্রদলের দুইজন কর্মী হল সংসদের দেয়ালে গুপ্ত লিখলে হল সংসদের পাঠকক্ষ সম্পাদক তারেক রহমান শাকিব বাধা দিলে উত্তেজনা তৈরি হয়। পরে ছাত্রদল হল গেটে বিক্ষোভ কর্মসূচি পালন করে। শাকিব জানিয়েছেন, তিনি ছাত্রশিবিরের সাথী।
আজ বুধবার রাত সাড়ে আটটার দিকে হল প্রাঙ্গণে এ ঘটনা ঘটে।
বিজয় একাত্তর হল ছাত্রদলের আহ্বায়ক তানভীর আল হাদী মায়েদ বলেন, ‘আমরা হলে দেয়াল লিখন কর্মসূচি পালন করছিলাম। আমাদের দুইজন সদস্য হলের দেয়ালে লিখন করছিলেন। এ সময় হল সংসদের এক নির্বাচিত সম্পাদক এসে তাদেরকে অতর্কিত ভাষায় গালাগালি করে, তারপর ছবি তুলতে গেলে তার ফোন কেড়ে নেয়। আমরা তার প্রতিবাদে বিক্ষোভ করেছি। আমরা হল প্রভোস্টের কাছে এ বিষয়ে লিখিত অভিযোগ দেব।’
তিনি আরও বলেন, পাঁচ আগস্ট পরবর্তী সব ক্যাম্পাসে গণতান্ত্রিক পরিবেশ বিরাজ করছে। সেই পরিবেশ রক্ষার স্বার্থে সবাইকে সমানভাবে রাজনীতি করার সুযোগ দিতে হবে। আমরা যে কোনো দখলদারিত্ব, শক্তি প্রয়োগের রাজনীতির প্রতিবাদ জানাচ্ছি। গুপ্ত রাজনীতি পরিহার করে প্রকাশ্যে রাজনীতি করার আহ্বান জানাচ্ছি।
এদিকে ঘটনার বিষয়ে জানতে চাইলে হল সংসদে শিবির প্যানেল থেকে নির্বাচিত পাঠকক্ষ সম্পাদক তারেক রহমান শাকিব বলেন, সংসদে আসছিলাম তারপরে আসার পর দেখলাম যে ওখানে তারা কিছু একটা লিখতেছে। তখন আমি বললাম যে ব্যাপারটা আসলে অসুন্দর হয়ে যাচ্ছে। তাদেরকে মানা করলাম। আমি কাউকে গালাগালি করিনি।
কাউকে কর্মসূচি পালনে বাধা দিতে পারেন কিনা এমন প্রশ্নে তিনি বলেন, ‘এটা তো হলের অভ্যন্তরীণ দেয়াল। এভাবে দেয়ালে লিখন করা যায় কিনা, হল কর্তৃপক্ষ আছে, আমরা তো প্রশাসনের পার্ট। বুঝছেন কিনা। আমাদের কাছে ছাত্ররা সেবা নিতে আসে, তাদের স্বার্থ রক্ষা আমাদের দায়িত্ব।’
এ বিষয়ে বিজয় একাত্তর হলের প্রাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. স ম আলী রেজা বলেন, ছাত্রদলের দেয়াল লিখন কর্মসূচিতে হল সংসদের একজন প্রতিনিধি বাঁধা দিতে যায়। এ নিয়ে উভয় পক্ষের মধ্যে উত্তেজনা সৃষ্টি হয়। সব পক্ষই ধৈর্য্য দেখিয়েছে। আমার কাছে এখনও কেউ অভিযোগ দেয়নি।





