ঝালকাঠির রাজাপুরে কোচিং সেন্টারে শিক্ষকের মারধরের শিকার হয়ে এক ছাত্র হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে।
মঙ্গলবার রাত ১০টার দিকে তাকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।
চিকিৎসকরা জানান, শিক্ষার্থীর শারীরিক অবস্থা বিবেচনায় প্রথমে তাকে বরিশালে রেফার করার পরামর্শ দেওয়া হলেও পরিবারের অনুরোধে তাকে স্থানীয় হাসপাতালেই নিবিড় পর্যবেক্ষণে রাখা হয়েছে।
আহত শিক্ষার্থীর নাম আব্দুল্লাহ আল নুর (১৩)। সে উপজেলা সদরের বাসিন্দা মো. লিটু মাতুব্বরের ছেলে এবং রাজাপুর মডেল পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়ের ষষ্ঠ শ্রেণির ছাত্র।
ভুক্তভোগী শিক্ষার্থী জানায়, প্রতিদিনের মতো সে উপজেলা সদরের থানা রোডে গ্লোবাল নেটের পাশে একটি কোচিং সেন্টারে পড়তে যায়। মঙ্গলবার সন্ধ্যায় অন্য শিক্ষার্থীরা চলে গেলেও তার বাংলা ও ইসলাম শিক্ষা বিষয়ের পড়া বাকি ছিল। প্রথমে বাংলা পড়া দেওয়ার পর ইসলাম শিক্ষা পড়া দিতে গিয়ে কিছু ভুল হলে শিক্ষক ক্ষিপ্ত হয়ে লাঠি দিয়ে তাকে এলোপাথাড়ি মারধর করেন। এতে তার শরীরের বিভিন্ন অংশে আঘাতপ্রাপ্তসহ সে আতঙ্কিত হয়ে পড়ে। পরে বাসায় ফিরে আরো বেশি অসুস্থ হয়ে পড়লে এবং শ্বাসকষ্ট দেখা দিলে পরিবারের সদস্যরা তাকে হাসপাতালে নিয়ে যান।
এ ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। বিষয়টি নিয়ে অভিভাবকদের মধ্যে ক্ষোভ ও উদ্বেগ বিরাজ করছে।
শিক্ষার্থীর বাবা মো. লিটু মাতুব্বর বলেন, এটা কোনো শিক্ষকের কাজ হতে পারে না। তিনি শিক্ষক নামের কলঙ্ক। এ ঘটনার দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি হওয়া উচিত।
অভিযুক্ত শিক্ষক দেবদাস কুমার মণ্ডল বলেন, আমি লাঠি দিয়ে মাত্র দুটি আঘাত করেছি। এতে এমন পরিস্থিতি হওয়ার কথা নয়। বাসায় যাওয়ার পথে কিছু হলে সেটার দায় আমার নয়।
চিকিৎসকরা জানান, শিক্ষার্থীর শারীরিক অবস্থা বিবেচনায় প্রথমে বরিশালে রেফার করা হলেও পরিবারের অনুরোধে তাকে স্থানীয় হাসপাতালেই নিবিড় পর্যবেক্ষণে রাখা হয়।






