বগুড়ার সদরে দ্বিতীয় স্বামীর সঙ্গে সংসার করতে সন্তানকে গলা কেটে হত্যার পর পুকুরে ফেলে দেয়ার অভিযোগ উঠেছে নিপা নামে এক নারীর বিরুদ্ধে।
শনিবার (৯ মে) প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে পুলিশের কাছে নিপা তার সন্তানকে হত্যার কথা স্বীকার করেছেন।
এর আগে শুক্রবার (৮ মে) রাতে সদর উপজেলার শেখেরকোলা ইউনিয়নের তেলিহারা গ্রামের উত্তরপাড়ায় এ ঘটনা ঘটে।
এরপর শনিবার সকালে পুকুরে ওই নবজাতকের মরদেহ ভেসে উঠলে স্থানীয়রা পুলিশকে খবর দেয়। পরে মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। একইসঙ্গে এই ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে আটক করা হয় নিপা ও তার দ্বিতীয় স্বামী দুলালকে।
পুলিশ ও স্থানীয়রা জানায়, বগুড়া সদরের নারুলী এলাকার জাহিদুল ইসলামের ছেলে শুকুর আলীর সঙ্গে প্রায় এক বছর আগে গাবতলী উপজেলার উঞ্চুরখী এলাকার নিপার বিয়ে হয়। তবে দাম্পত্য কলহের জেরে প্রায় ছয় মাস আগে তাদের বিচ্ছেদ ঘটে। পরে প্রায় দুই মাস আগে শেখেরকোলা ইউনিয়নের দুলালের সঙ্গে বিয়ে হয় নিপার।
শুক্রবার দিবাগত রাতে নিপা একটি সন্তান প্রসব করেন। পরে নবজাতকের গলায় ব্লেড চালিয়ে হত্যা করা হয় বলে বলে অভিযোগ ওঠে তার বিরুদ্ধে।
এরপর শিশুটির মরদেহ বাড়ির পাশের একটি পুকুরে ফেলে দেয়া হয়। ৯ মে শনিবার দুপুরে বিষয়টি এলাকায় ছড়িয়ে পড়ে। খবর পেয়ে বগুড়া সদর থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে অভিযুক্ত নিপা ও তার বর্তমান স্বামী দুলালকে আটক করে।
বগুড়া সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ইব্রাহিম আলী বলেন, ‘ঘটনার প্রকৃত কারণ উদ্ঘাটনে তদন্ত চলছে। আটক দুজনকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। তদন্ত শেষে তাদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।’
পুলিশ জানায়, নবজাতকের মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল মর্গে পাঠানোর প্রক্রিয়া চলছে। নিপা তার সন্তানকে হত্যা করেছে বলে পুলিশের কাছে প্রাথমিকভাবে জানিয়েছে।








