জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের চারুকলা বিভাগের এক শিক্ষার্থীকে র্যাগিং করার অভিযোগে ছয় শিক্ষার্থীকে কারণ দর্শানোর নোটিশ (শোকজ) দিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। অভিযুক্তদের মধ্যে জাকসুর হল সংসদের দুই নেত্রীও রয়েছেন, যা ক্যাম্পাসে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছে।
অভিযুক্তদের মধ্যে রয়েছেন বঙ্গমাতা বেগম ফজিলাতুন্নেছা মুজিব হল সংসদের সহ-সভাপতি (ভিপি) ঐশী সরকার অথি (৪৯ তম ব্যাচ) এবং সহ-সাধারণ সম্পাদক (এজিএস) প্রমা রাহা(৫০তম ব্যাচ)।
এছাড়া আরও অভিযুক্ত চারুকলা বিভাগের শিক্ষার্থীরা হলেন – ৪৯তম ব্যাচের সাফিন আরা পর্ণা, ৫০তম ব্যাচের প্রমা রাহা, ৫১তম ব্যাচের আবদুল্লাহ আল নোমান, ওয়াদুদ আহমেদ সিজান ও এ এম হাবিব উসমান।
লিখিত অভিযোগের প্রায় এক মাস পর এবং অভিযোগ পুনর্বহালের আবেদনের প্রেক্ষিতে গত বুধবার (২২ অক্টোবর) প্রক্টর অফিস থেকে এ নোটিশ পাঠানো হয়। বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক এ কে এম রাশিদুল আলম বলেন, র্যাগিংয়ের মতো ঘটনায় কোনো ছাড় দেওয়া হবে না। অভিযোগ প্রমাণিত হলে বিশ্ববিদ্যালয়ের অ্যান্টি-র্যাগিং নীতিমালা অনুযায়ী তদন্ত সাপেক্ষে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
তবে নোটিশ পাওয়ার পর অভিযুক্ত সাফিন আরা পর্ণা অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, “আমাদের সঙ্গে ষড়যন্ত্র করা হয়েছে। কোনো র্যাগিং হয়নি। বরং ওদের আরও র্যাগিং দরকার।”
ভুক্তভোগী শিক্ষার্থী প্রান্ত রায় বলেন, “পর্ণা আপু আগেও বলেছিলেন, আমরা নাকি আসল র্যাগিং দেখিনি।”
গত ২৭ আগস্ট চারুকলা বিভাগের চূড়ান্ত পরীক্ষা চলাকালে বিভাগের গ্যালারিতে র্যাগিংয়ের ঘটনাটি ঘটে বলে জানা গেছে।








