ঢাকা | বুধবার, ২৬ আগস্ট ২০২৬,১১ ভাদ্র ১৪৩৩

কলেজ ভবনে শিক্ষকের বিশালবহুল বিশ্রামাগার, অধ্যক্ষকে শোকজ

চতুর্থ গ্রেডে বেতনভুক্ত শিক্ষক। সঙ্গে বেতনের ৩৫ শতাংশ পান বাড়িভাড়া। এরপরও কলেজ ভবনের কক্ষে বিছানা পেতে বসবাস করছেন অনেক কলেজ অধ্যক্ষ। প্রায়শ খবরের শিরোনাম হয়েও থেমে নেই তাদের এই কর্ম। ধারাবাহিক এহেন কর্মের তালিকায় নতুন নাম যুক্ত হয়েছে জামালপুরের ইসলামপুর সরকারি কলেজের সাবেক অধ্যক্ষ প্রফেসর ড. মো. আব্দুর রাজ্জাকের। তিনি ওএসডি থেকেও কলেজের প্রশাসনিক ভবনের ২য় তলায় নিয়মবিহর্ভূতভাবে নিজের জন্য বিলাশবহুল বিশ্রামাগার নির্মাণ করেছেন। অধ্যক্ষের এমন কার্যকলাপ সরকারি কর্মচারী বিধিমালা অনুযায়ী অসদাচরণের পর্যায়ভুক্ত শাস্তিযোগ্য অপরাধ। তাই অধ্যক্ষ রাজ্জাকের কারণ দর্শানোর নোটিশ (শোকজ) দিয়েছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়।

নোটিশে তার বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা কেনো নেয়া হবে না তার জবাব প্রাপ্তির সাত কার্যদিবসের মধ্যে লিখিতভাবে জানতে চাওয়া হয়েছে।

গত রোববার এই নোটিশ অধ্যক্ষ রাজ্জাককে পাঠানো হয়েছে। নোটিশে বলা হয়েছে, প্রফেসর ড. মো. আব্দুর রাজ্জাক, অধ্যাপক (গণিত) বিশেষ ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা, মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তর ও প্রাক্তন অধ্যক্ষ, সরকারি ইসলামপুর কলেজ, ইসলামপুর, জামালপুর আপনার কলেজের প্রশাসনিক ভবনের ২য় তলায় নিয়মবিহর্ভূতভাবে নিজের জন্য বিশালবহুল বিশ্রামাগার বা থাকার কক্ষ নির্মাণ করেছেন।

তার এরুপ কার্যকলাপ সরকারি কর্মচারী (শৃঙ্খলা ও আপিল) বিধিমালা, ২০১৮ এর (খ) অনুযায়ী ‘অসদাচরণ’ এর পর্যায়ভুক্ত শাস্তিযোগ্য অপরাধ। তার বিরুদ্ধে সরকারি কর্মচারী (শৃঙ্খলা ও আপিল) বিধিমালা, ২০১৮ এর ৩(খ) অনুযায়ী ‘অসদাচরণ’ এর অভিযোগে বিভাগীয় ও শৃঙ্খলামূলক ব্যবস্থা কেনো নেয়া হবে না তার জবাব চিঠি পাওয়ার সাত কার্যদিবসের মধ্যে লিখিতভাবে বক্তব্য দিতে হবে।