ঢাকা | মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর ২০২৬,১১ কার্তিক ১৪৩৩

শিক্ষার্থীদের জন্য এবার আমাদের পাঠ্যবই রেডি: শিক্ষামন্ত্রী

শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন বলেছেন, শিক্ষার্থীদের জন্য এবার আমাদের বই রেডি। অলরেডি বই ডিপিওদের কাছে চলে গিয়েছে। বইগুলো আজ থেকে দুইমাস আগে থেকে পাঠানো শুরু হয়েছে। ২০২৬ খ্রিষ্টাব্দের মধ্যেই ২০২৭ খ্রিষ্টাব্দের পাঠ্যবই পৌঁছে দেবো। এটা আমার প্রমিজ।

আজ মঙ্গলবার টাঙ্গাইলে বিন্দুবাসিনী সরকারি বালক উচ্চ বিদ্যালয়ে ‘শিক্ষার সার্বিক মানোন্নয়নে শিক্ষকদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এ কথা বলেন তিনি।

এ সময় তিনি আরো বলেন, পে-স্কেল শিক্ষকদের দরকার রয়েছে। কিন্তু আপনারা কি জানেন আমাদের প্রধানমন্ত্রী কত বেতন পান। একজন সচিবের চেয়েও তিনি কম বেতন পান। শিক্ষকদের দাবি অ্যাড্রেস করার দায়িত্ব আমার, আপনাদের নয়।

শিক্ষামন্ত্রী বলেন, শিক্ষক হলেন আইডল। এই সমাজকে গড়তে হলে শিক্ষকদের দরকার। এর কোনো বিকল্প নেই। আমরা শিক্ষকদের অনুকরণ করি- তাই না? শুধু যে শিক্ষার্থীরা অনুকরণ করেন বিষয়টি কিন্তু তা নয়। শিক্ষক হলেন আইডল। এই সমাজকে গড়তে হলে শিক্ষকদের দরকার। এর কোনো বিকল্প নেই।

এখানে এসপি সাহেব বসে আছেন, তিনি বলতে পারবেন এই জেলা নিয়ন্ত্রণে তার কি পর্যাপ্ত ফোর্স আছে? শিক্ষকদের সবার দরকার।

মন্ত্রী বলেন, আমি এইমাত্র খবর পেলাম, আমাদের প্রধানমন্ত্রী জাপানে লোক পাঠানোর চেষ্টা করছেন। জাপানে জনসংখ্যা হারিয়ে যাচ্ছে। আমাদের দেশে বেশি লোক জন্মগ্রহণ করছে। কি ভাগ্যবান আমরা। আমাদের মানব সম্পদ বাড়াতে হবে।

পে-স্কেল শিক্ষকদের দরকার রয়েছে। কিন্তু আপনারা কি জানেন আমাদের প্রধানমন্ত্রী কত বেতন পান। একজন সচিবের চেয়েও তিনি কম বেতন পান। শিক্ষকদের দাবি অ্যাড্রেস করার দায়িত্ব আমার আপনাদের নয়।

একজন শিক্ষক ক্লাসে না গিয়ে প্রেস ক্লাবের সামনে দাবি নিয়ে বসে আছেন- এটা কি হয়? আমরা কি জানি না শিক্ষকদের কী দাবি রয়েছে?

ড. মিলন বলেন, বিগত সরকার ১৪ হাজার শিক্ষক নিয়োগ দিয়েছে। টেলিভিশনের পর্দায় দেখলাম কান্নকাটি, এখন কি লজ্জা হচ্ছে না-সবার চাকরি হয়ে গেছে।

৩২ হাজার প্রধান শিক্ষকের নিয়োগ-পদোন্নতি আটকে ছিলো। আমরা কি জানি না শিক্ষক নিয়োগের প্রয়োজন আছে? সব জায়গায় মামলা দিয়ে বসে আছেন। আগের সেই হাইকোর্ট নেই। গত দশ বছর ধরে সাড়ে ৩২ হাজার প্রধান শিক্ষক নেই। এই যে জট-এটা থেকে বেরিয়ে আসতে হবে।

তিনি আরো বলেন, আমি আমার কাজ করে যাচ্ছি। শিক্ষকদের জন্য আপনার চেয়ে দায়িত্বটা আমার বেশি। আপনার আন্দোলনের ডাক দেন কীভাবে।