বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের পদ টাকার বিনিময়ে দেওয়ার অভিযোগ প্রমাণে ছাত্রশিবিরকে প্রকাশ্য চ্যালেঞ্জ দিয়েছেন রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (রাকসু) সাধারণ সম্পাদক (জিএস) সালাহউদ্দিন আম্মার। ২৪ ঘণ্টা সময় বেঁধে দিয়ে অন্তত একটি পদ বাণিজ্যের প্রমাণ উপস্থাপনের আহ্বান জানিয়েছেন তিনি।
বৃহস্পতিবার (১ অক্টোবর) সকালে নিজের ফেসবুক আইডিতে এক পোস্টে ‘চ্যালেঞ্জ-০১’ শিরোনামে তিনি এ আহ্বান জানান। পোস্টের শুরুতে তিনি লেখেন, গোটা বাংলাদেশের শিবির (সঙ্গে পাকিস্তান শিবিরকেও নিয়েন)।
সালাহউদ্দিন আম্মার লেখেন, আমি টাকার বিনিময়ে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের পদ দিয়েছি প্রমাণ দেন। যেহেতু মিথ্যা অপপ্রচার করেন আপনারা, আপনাদের প্যাডে মানুষকে নিয়ে এটা মুনাফেকির চরম পর্যায়। সাহস থাকলে চ্যালেঞ্জ গ্রহণ করেন। ১টা পদ বাণিজ্যের প্রমাণ দেখান। ২৪ ঘণ্টা সময় (নিজেদের গোয়েন্দা বাহিনী ,সরকারি গোয়েন্দা সংস্থাসহ যত জায়গা থেকে তথ্য নেওয়া যায় নেন, সামনে আরও চ্যালেঞ্জ আসছে)।
২০২৫ সালের ১৭ অক্টোবর বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সাবেক সমন্বয়ক সালাহউদ্দিন আম্মার রাকসু নির্বাচনে ‘আধিপত্য বিরোধী ঐক্য প্যানেল’ থেকে জিএস পদে নির্বাচিত হন। তিনি ১১ হাজার ৫৩৭ ভোট পান। নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ছাত্রশিবিরের ফাহিম রেজা পান ৫ হাজার ৭২৯ ভোট।
সালাহউদ্দিন আম্মার রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ইসলামী ছাত্রশিবিরের সাথী ছিলেন। নৈতিক পদস্খলন, নারীদের সঙ্গে অবাধ বিচরণ, অর্থের বিনিময়ে পদবাণিজ্য, মৌলিক ইবাদত পালনে উদাসীনতা, অবৈধ অর্থনৈতিক লেনদেনসহ বিভিন্ন অভিযোগে ২০২৫ সালের সেপ্টেম্বরে তাকে সংগঠন থেকে বহিষ্কার করে বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রশিবির। বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রশিবিরের তিনটি সাংগঠনিক চিঠি থেকে এ তথ্য জানা গেছে। গতকাল বুধবার (৩০ সেপ্টেম্বর) বিষয়টি জানাজানি হয়।





