শনিবার (২ মে) গাজীপুরের পুবাইল এলাকা থেকে ওই শিক্ষার্থীকে উদ্ধার এবং অভিযুক্তকে গ্রেফতার করা হয়। এর আগে গত ২২ এপ্রিল দুপুরে উত্তরার ৬ নম্বর সেক্টরে এই অপহরণের ঘটনা ঘটে।
ঘটনার সময়ের একটি সিসিটিভি ফুটেজে দেখা যায়, উত্তরা ৬ নম্বর সেক্টরের ৫ নম্বর রোডে স্কুল থেকে পরীক্ষা শেষে বাবার সঙ্গে বাসায় ফিরছিল ওই শিক্ষার্থী। হঠাৎ সেখানে লামীন নামের এক কিশোর উপস্থিত হয়ে ওই শিক্ষার্থীকে টেনেহিঁচড়ে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করে। তার বাবা নিজের সর্বশক্তি দিয়ে মেয়েকে বাঁচাতে চেষ্টা করেন। কিন্তু কিছুক্ষণ পরই সেখানে আরও এক যুবক যোগ দেয়। তারা বাবাকে মারধর করে ওই ছাত্রীকে জোরপূর্বক একটি প্রাইভেট কারে তুলে নিয়ে পালিয়ে যায়।
ঘটনার দিনই ভুক্তভোগী শিক্ষার্থীর বাবা উত্তরা পূর্ব থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে একটি মামলা করেন। এরপর থেকেই অভিযানে নামে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী। ঘটনার ৯ দিন পর আধুনিক প্রযুক্তির সহায়তায় গাজীপুরের পুবাইল থেকে ওই শিক্ষার্থীকে উদ্ধার করা হয়।
ডিএমপির উত্তরা বিভাগের উপ-পুলিশ কমিশনার মির্জা তারেক আহমেদ বেগ জানান, অপহরণের ঘটনায় জড়িত প্রধান অভিযুক্তকে গ্রেফতার করা হয়েছে। কী কারণে এই অপহরণের ঘটনা ঘটেছে, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
তিনি আরও জানান, এই চক্রের সঙ্গে জড়িত বাকিদের শনাক্ত ও গ্রেফতারে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
উদ্ধার হওয়া শিক্ষার্থীকে বর্তমানে পুলিশ হেফাজতে রাখা হয়েছে এবং আইনি প্রক্রিয়া শেষে তাকে পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হবে বলে থানা সূত্রে জানা গেছে।





