চুয়াডাঙ্গার জীবননগর সীমান্তে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনীর (বিএসএফ) গুলিতে মনিরুল ইসলাম (৩৫) নামে এক বাংলাদেশি যুবক আহত হয়েছেন। পরে তাকে আটক করে ভারতের অভ্যন্তরে নিয়ে যায় বিএসএফ।
শুক্রবার (৬ নভেম্বর) সন্ধ্যায় জীবননগর উপজেলার হরিহরনগর গ্রামের সীমান্তবর্তী এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। আহত মনিরুল ইসলাম হরিহরনগর গ্রামের লিয়াকত ইসলামের ছেলে। তবে তিনি জীবিত আছেন নাকি মারা গেছেন, তা এখনও নিশ্চিত হওয়া যায়নি।
স্থানীয়রা জানান, শুক্রবার সন্ধ্যায় স্বর্ণ চোরাচালানের উদ্দেশ্যে সীমান্তের কাঁটাতারের কাছাকাছি এলাকায় যান মনিরুল ইসলামসহ সাতজন। এ সময় তাদের দেখে গুলি ও রাবার বুলেট ছোড়েন বিএসএফ সদস্যরা। এতে মনিরুলের পায়ে গুলি লাগে এবং পিঠের বিভিন্ন স্থানে রাবার বুলেটের আঘাত লাগে। একপর্যায়ে তিনি আহত হয়ে মাটিতে লুটিয়ে পড়েন। এ সময় মনিরুলের সঙ্গে থাকা অন্যরা পাশের খালের পানিতে ঝাঁপ দিয়ে পালিয়ে যান। পরে আহত মনিরুলকে আটক করে ভারতের অভ্যন্তরে নিয়ে যান বিএসএফ সদস্যরা।
হরিহরনগর গ্রামের সাবেক ইউপি সদস্য টিটু মিয়া জানান, সন্ধ্যার পরপরই সীমান্তবর্তী কাঁটাতারের কাছ থেকে গুলির শব্দ শুনতে পান স্থানীয়রা। পরে তিনি জানতে পারেন, মনিরুল ইসলামকে আহত অবস্থায় আটক করে নিয়ে গেছে বিএসএফ। তবে তার বর্তমান শারীরিক অবস্থা সম্পর্কে নিশ্চিত কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি।
এ বিষয়ে জীবননগর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) সোলায়মান শেখ জানান, ঘটনাটি তিনি শুনেছেন। বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
মহেশপুর-৫৮ বিজিবির সহকারী পরিচালক মুন্সী ইমদাদুর রহমান বলেন, আমরা সীমান্তে একটি গুলির ঘটনার কথা শুনেছি। তবে এখনও আমাদের কাছে সুনির্দিষ্ট তথ্য আসেনি। আমরা বিএসএফের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করছি। যোগাযোগ সম্পন্ন হলে ফ্ল্যাগ মিটিংয়ের মাধ্যমে বিষয়টি নিয়ে আলোচনা করা সম্ভব হবে।








