ঢাকা | শনিবার, ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬,৪ আশ্বিন ১৪৩৩

কুবি শিক্ষিকার সন্তান অপ্রতিমের মৃত্যুর ঘটনায় সন্দেহভাজন আটক

কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের (কুবি) বাংলা বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. নাহিদা বেগমের ১৩ বছর বয়সী সন্তান অপ্রতিমের মৃত্যুর ঘটনায় তুহিন নামের এক কিশোরকে সন্দেহভাজন হিসেবে আটক করেছে পুলিশ।

শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) দুপুর ১২টার দিকে সিসিটিভি ফুটেজ ও মোবাইল ফোনের মেসেজের সূত্র ধরে ওই কিশোরকে আটক করা হয়। পরে দুপুর ১টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়সংলগ্ন ম্যাজিক প্যারাডাইস পার্কের পাশের একটি জঙ্গল থেকে অপ্রতিমের মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

কোটবাড়ি পুলিশ ফাঁড়ির উপপরিদর্শক (এসআই) মহিবুল আলম ভূঁইয়া বলেন, ‘তদন্তের স্বার্থে এবং সিসিটিভি ফুটেজ ও মেসেজের সত্যতার ভিত্তিতে সন্দেহভাজন হিসেবে তুহিন নামের এক কিশোরকে আটক করা হয়েছে। ঘটনাটি কীভাবে ঘটেছে, তা বিস্তারিত তদন্তের পর বলা সম্ভব হবে।’

বিশ্ববিদ্যালয় সূত্রে জানা গেছে, শনিবার সকালে বিশ্ববিদ্যালয়ের এক কর্মচারীকে ওই কিশোরের বাসায় পাঠানো হয়। সেখানে তার কথাবার্তায় অসংলগ্নতা দেখা গেলে বিষয়টি কোটবাড়ি পুলিশ ফাঁড়িকে জানানো হয়। পরে পুলিশ তাকে আটক করে। তার মোবাইল ফোনের মেসেজ পরীক্ষা করে দেখা যায়, গতকাল বিকেলে সে অপ্রতিমকে বাইরে বের হতে বলেছিল।

বিষয়টি নিশ্চিত করে কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এম এম শরিফুল করিম জানান, সিসিটিভি ফুটেজ ও মোবাইল মেসেজের সূত্র ধরেই পুলিশ সন্দেহভাজন ওই কিশোরকে আটক করেছে।

জানা গেছে, গত ১৮ সেপ্টেম্বর বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে কুমিল্লা সদর দক্ষিণ থানাধীন ২৪ নম্বর ওয়ার্ডের কোটবাড়ি এলাকার বাসা থেকে হেঁটে বের হয় অপ্রতিম। এরপর সে আর বাসায় ফেরেনি। অপ্রতিম বর্ডারগার্ড পাবলিক স্কুলের সপ্তম শ্রেণির শিক্ষার্থী। সে ড. নাহিদা বেগমের একমাত্র সন্তান।

মরদেহ উদ্ধারের সময় অপ্রতিমের মাথায় গুরুতর আঘাতের চিহ্ন পাওয়া গেছে। মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে।

এ ঘটনায় পুলিশ তদন্ত কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছে। তবে অপ্রতিমের মৃত্যুর কারণ এবং ঘটনার সঙ্গে আটক কিশোরের সংশ্লিষ্টতার বিষয়ে এখনো বিস্তারিত কিছু জানানো হয়নি।