ঈশ্বরদী উপজেলার দাশুড়িয়া ইউনিয়নের ভবানীপুর এলাকায় সাম্প্রতিক ঘটনাকে ঘিরে পরিকল্পিত অপপ্রচার, মিথ্যাচার ও বিভ্রান্তি ছড়ানোর অভিযোগ তুলেছে দলটির স্থানীয় বিএনপির নেতৃবৃন্দ। এ ঘটনায় জড়িতদের বিরুদ্ধে দ্রুত ও নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি জানিয়েছেন দলটির নেতারা।
রোববার (২৯ মার্চ) বিকেলে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন দাশুড়িয়া ইউনিয়ন বিএনপির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আজমল হোসেন।
সংবাদ সম্মেলনে অভিযোগ করা হয়, ভবানীপুর এলাকার আলোচিত ব্যক্তি সাগর হোসেন রনি দীর্ঘদিন ধরে বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্পে চাঁদাবাজি, ভূমিহীনদের উচ্ছেদ এবং একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের জমিতে অবৈধভাবে রিসোর্ট নির্মাণে বাধা দেওয়ার মতো কর্মকাণ্ডে জড়িত। এই অভিযোগের প্রেক্ষিতে দাশুড়িয়া ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি আব্দুস সামাদ সুলভ মালিথার নেতৃত্বে স্থানীয় নেতাকর্মীরা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন। এ সময় তারা সংশ্লিষ্টদের আশ্বস্ত করেন যে, এলাকায় কোনো ধরনের সন্ত্রাস, চাঁদাবাজি বা অনিয়ম বরদাস্ত করা হবে না।
তবে অভিযোগ উঠেছে, ওই পরিদর্শনের ভিডিও ফুটেজ বিকৃত করে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে দিয়ে বিএনপি নেতাদের বিরুদ্ধে উদ্দেশ্য প্রণোদিত অপপ্রচার চালানো হচ্ছে। এতে দলটির কয়েকজন শীর্ষ স্থানীয় নেতাকে জড়িয়ে মিথ্যা ও মানহানিকর তথ্য প্রচার করা হয়েছে বলে দাবি করা হয়।
সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, যে পুকুরটি নিয়ে বিতর্ক তৈরি হয়েছে, সেটির বৈধ ইজারাদারকে জোরপূর্বক সরিয়ে দিয়ে স্থানীয় একটি প্রভাবশালী চক্র দখল করে নেয়। পরে তারা পুকুরের মাটি কেটে বিক্রি করে আর্থিকভাবে লাভবান হয়। পরবর্তীতে বিষয়টি স্থানীয়দের নজরে এলে এলাকাবাসীর সহযোগিতায় পুকুরটি দখলমুক্ত করা হয় এবং ২৫টি ভূমিহীন পরিবারকে সম্পৃক্ত করে সংস্কার কাজ শুরু করা হয়।
সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন, দাশুড়িয়া ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক যুগ্ন আহবায়ক ও ৮নং ওয়ার্ডের মেম্বার মো. সানাউল্লাহ প্রাং, পাবনা সুগার মিলের সিবিএ সাবেক সভাপতি মো. বাবুল আলম বাবু, ৭নং ওয়ার্ড বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মো. উজ্জল হোসেন মৃধা, ঈশ্বরদী উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের যুগ্ন-আহ্বায়ক জাহিদ হাসান, দাাশুড়িয়া ইউনিয়ন যুবলের যুগ্ন-আহ্বায়ক ইমদাদুল হক ইমদাদ, এডওয়ার্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক ছাত্রনেতা মো. রবিউল ইসলাম রবি, ইমদাদুল হক জিসান, যুবদল নেতা বাহাদুর প্রাং, শামীম ওয়াহেদ প্রমুখ।






