জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের (জবি) কেন্দ্রীয় লাইব্রেরিতে বহিরাগতদের অবাধ প্রবেশ ও আসন দখলকে কেন্দ্র করে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন সাধারণ শিক্ষার্থীরা। অভিযোগ উঠেছে, ভুয়া আইডি কার্ড ব্যবহার করে বহিরাগতরা লাইব্রেরিতে প্রবেশ করছে, যার ফলে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা পড়াশোনার জন্য পর্যাপ্ত আসন পাচ্ছেন না।
শিক্ষার্থীদের অভিযোগ, প্রতিদিন সকাল থেকেই লাইব্রেরির অধিকাংশ আসন দখল করে বসে থাকেন বহিরাগতরা। অনেকেই দীর্ঘ সময় ধরে আসন দখল করে রাখলেও তারা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী নন। এতে পরীক্ষার প্রস্তুতি ও নিয়মিত পড়াশোনায় ব্যাঘাত ঘটছে বলে জানান শিক্ষার্থীরা।
অর্থনীতি বিভাগের শিক্ষার্থী আমানত শাহ বলেন, “আমরা নিজেদের বিশ্ববিদ্যালয়ের লাইব্রেরিতে এসে বসার জায়গা পাই না। অথচ বহিরাগতরা ভুয়া আইডি কার্ড দেখিয়ে দিব্যি প্রবেশ করছে। প্রশাসনের উচিত দ্রুত এ বিষয়ে ব্যবস্থা নেওয়া।”
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক শিক্ষার্থী বলেন, “লাইব্রেরিতে আমাদের বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদেরই জায়গা হয় না।বহিরাগতরা আসলে আমরা সিট সংকটে পরব।”
এ বিষয়ে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় শিক্ষার্থী সংসদের (জকসু) পাঠাগার ও সেমিনার সম্পাদক মোঃ রিয়াসাল রাকিব বলেন, “আমরা সেন্ট্রাল লাইব্রেরিতে পরিদর্শন করেছি। সেখান ১০-১৫ জনের মতো বহিরাগত শিক্ষার্থী থাকতে পারে তবে উন্মুক্ত লাইব্রেরিতে এই সংখ্যা বেশি। সেখানে অনেক রুম থাকে, অনেক সময় ফাকা থাকে তাই তারা বসে। সব জায়গায় বেশিরভাগেই জগন্নাথের শিক্ষার্থী। বহিরাগত যেন প্রবেশ করতে না পারে এ জন্য আমরা এ সপ্তাহে অভিযান দিব এবং বহিরাগতদের শনাক্ত করার চেষ্টা করব।”
সেন্ট্রাল লাইব্রেরির যায়গা সংকট প্রসঙ্গে তিনি বলেন, “আগে সেন্ট্রাল লাইব্রেরিতে সিট ছিল ৩৫০ এর মতো। এখন ২০০ সিট বৃদ্ধি করতেছি আমরা। উন্মুক্ত লাইব্রেরিতে আমরা পার্মানেন্টভাবে ১ টি অথবা ২ টি কক্ষ বরাদ্দ করতেছি। তাহলে শিক্ষার্থীদের লাইব্রেরিতে সিট না পাওয়া নিয়ে কোনো অভিযোগ থাকবে না।”
তিনি শিক্ষার্থীদের আশ্বস্ত করে বলেন, ঈদের আগেই এ সকল সমস্যার সমাধান করব ইনশাআল্লাহ।





