আবারো নিয়োগ জালিয়াতি, শিক্ষক নিবন্ধন সনদ জালিয়াতি এবং নীতিমালার শর্ত লঙ্ঘন করে এমপিওভুক্ত হওয়ার অভিযোগে তিন মাদরাসার পাঁচজন শিক্ষক-কর্মচারীর ইনডেক্স বাতিল করা হয়েছে। একইসঙ্গে যোগদানের পর থেকে বেতন-ভাতা হিসেবে নেওয়া সরকারি টাকা দ্রুত সরকারি কোষাগারে ফেরত দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
সোমবার (৪ মে) মাদরাসা শিক্ষা অধিদপ্তরের ওয়েবসাইটে প্রকাশিত তিন পৃথক চিঠিতে এ তথ্য জানা যায়।
এতে জানা যায়, রংপুরের মিঠাপুকুর উপজেলার সেরুডাঙ্গা দারুল উলুম দ্বি-মুখী দাখিল মাদরাসার সমাজ বিজ্ঞান বিষয়ের সহকারী শিক্ষক মোছা. নারজুস আরা বেগমের শিক্ষক নিবন্ধন সনদটি ‘জাল ও ভুয়া’ প্রমাণিত হয়েছে। এনটিআরসিএ’র তথ্য অনুযায়ী, তিনি ২০০৮ খ্রিষ্টাব্দে ৪র্থ শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষায় অকৃতকার্য হয়েছিলেন। সনদ জালিয়াতির বিষয়টি নিশ্চিত হওয়ার পর এমপিও নীতিমালা-২০২৬, অনুযায়ী তার ইনডেক্স বাতিল করা হয়েছে।
একইসঙ্গে চাঁদপুরের ফরিদগঞ্জ মজিদিয়া কামিল এম এ মাদরাসার মুহাদ্দিস মো. মোশাররফ হোসাইনের বিরুদ্ধে নীতিমালার শর্ত ভঙ্গের অভিযোগ উঠেছে। জানা গেছে, অভিজ্ঞতা না থাকা সত্ত্বেও ভুলবশত তার এমপিওভুক্তি অনুমোদন দেওয়া হয়েছিল। পরবর্তীতে নীতিমালা অনুযায়ী, তিনি এই পদের যোগ্য না হওয়ায় তার ইনডেক্স বাতিল করা হয়েছে এবং বেতনের সব টাকা সরকারি তহবিলে ফেরতের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
এছাড়া কুড়িগ্রামের রাজারহাট উপজেলার সিরাজ উদ্দিন দাখিল মাদরাসার ৩ জন কর্মচারীর বিরুদ্ধে ম্যানেজিং কমিটির মেয়াদ টেম্পারিং এবং ভুয়া কাগজপত্র তৈরির অভিযোগ প্রমাণিত হয়েছে। অভিযুক্তরা হলেন পরিচ্ছন্নতা কর্মী মো. মাহবুবুর রহমান, নিরাপত্তা কর্মী মো. আরিফুল ইসলাম এবং আয়া মোছা. হোসনে আরা। উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসারের করা তদন্তে অনিয়ম ধরা পড়ায়, তাদের ইনডেক্সও বাতিল করা হয়েছে এবং বেতন-ভাতা হিসেবে উত্তোলিত নগদ টাকা সরকারি কোষাগারে ফেরতের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।






