মাধ্যমিক স্কুল সার্টিফিকেট (এসএসসি) পরীক্ষা পরিচালনা সংক্রান্ত নীতিমালা প্রকাশ করা হয়েছে। এতে পরীক্ষার্থীদের আসন আসন ব্যবস্থা সর্ম্পকে বিস্তারিত তু্লে ধরা হয়েছে। আসনগুলো এমনভাবে সাজাতে হবে যাতে একটি থেকে অন্যটির যথেষ্ট দূরত্ব বজায় থাকে। একই বিদ্যালয়ের পরীক্ষার্থীদের পরস্পরের সন্নিকটে আসন ব্যবস্থা করা যাবে না।
গতকাল সোমবার (১৩ এপ্রিল) ঢাকা মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড এ নীতিমালা প্রকাশ করে।
নীতিমালায়, এছাড়াও তাদের করণীয়, পরীক্ষা পরিচালনার নিয়মাবলি, কেন্দ্র সচিব ও ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাদের দায়িত্ব, শৃঙ্খলাসংক্রান্ত নিয়মাবলি, পরীক্ষায় নকলের শাস্তি ও ফল প্রকাশ সংক্রান্ত বিষয় তুলে ধরা হয়েছে।
বলা হয়েছে, পরীক্ষা আরম্ভ হবার আগে কেন্দ্রের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার সঙ্গে আলোচনা করে পরীক্ষার্থীদের আসন উল্লিখিতভাবে বিন্যাসের জন্য সংশ্লিষ্টরা প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেবেন।
কেন্দ্রের সব পরীক্ষার্থীদের আসন ব্যবস্থা করতে হবে। ৫ ফুট, ৬ ফুট লম্বা প্রতি বেঞ্চে দুই জন এবং ৪ ফুট লম্বা বেঞ্চে এক জনের আসন ব্যবস্থা করতে হবে। কোনো অবস্থাতেই এর ব্যতিক্রম করা যাবে না।
প্রতি ২০ জন পরীক্ষার্থীর জন্য একজন কক্ষ প্রত্যবেক্ষক নিয়োগ দিতে হবে। কক্ষে পরীক্ষার্থী অনুপাতে কক্ষ প্রত্যবেক্ষক নিয়োগ দিতে হবে তার অর্থ এই নয় যে ২০ জন পরীক্ষার্থীই একটি কক্ষে পরীক্ষা দেবে। তবে কোনোক্রমেই কোনো কক্ষে ২ জনের কম কক্ষ প্রত্যবেক্ষক রাখা যাবে না।
আসনগুলো এমনভাবে সাজাতে হবে যাতে একটি থেকে অন্যটির যথেষ্ট দূরত্ব বজায় থাকে। একই বিদ্যালয়ের পরীক্ষার্থীদের পরস্পরের সন্নিকটে আসন ব্যবস্থা করা যাবে না। কেন্দ্রের নিজস্ব বিদ্যালয়ের পরীক্ষার্থীরা নিজ প্রতিষ্ঠানে পরীক্ষা দিতে পারবে না। আসন ব্যবস্থার এক বা একাধিক কপি পরীক্ষা কেন্দ্রের, ভেন্যুর কোনো প্রকাশ্য স্থানে সংশ্লিষ্ট সবার জ্ঞাতার্থে ঝুলিয়ে দিতে হবে।
পরীক্ষার্থীর প্রবেশপত্রে উল্লিখিত রোল নম্বর তার আসন নম্বর হবে। বোর্ড অফিস থেকে সরবরাহকৃত আসনপত্রে পরীক্ষার্থীর রোল নম্বর লিখে ডেস্কের সঙ্গে এঁটে দিতে হবে। একই আসন ব্যবস্থায় সব বিষয়ের পরীক্ষা সম্পন্ন করতে হবে।
রোল নম্বর সংবলিত প্রিন্ট আউট কপি অনুযায়ী প্রত্যেক পরীক্ষার্থীর স্বাক্ষরলিপি পরীক্ষা আরম্ভ হবার আগে অবশ্যই প্রস্তুত করতে হবে।
নীতিমালায় আরো বলা হয়, অসুস্থ পরীক্ষার্থী নির্দিষ্ট আসনে বসে পরীক্ষা দিতে না পারলে কেন্দ্রসচিব তার জন্য বিশেষ স্থানের ব্যবস্থা করতে পারবেন। সংক্রামক রোগ বা ছোঁয়াচে রোগে আক্রান্ত কোনো পরীক্ষার্থীকে সাধারণত পরীক্ষা দেয়ার অনুমতি দেয়া হয় না। তবে কেন্দ্র কর্তৃপক্ষ অন্যান্য পরীক্ষার্থীদের বিপদ আশঙ্কা থেকে মুক্ত রেখে তার জন্য পৃথক স্থানে আসনের ব্যবস্থা করতে পারবেন। উভয় ক্ষেত্রে এরূপ বিশেষ স্থানে আসনপ্রাপ্ত পরীক্ষার্থীরা নিজেরাই সব আনুষঙ্গিক ব্যয় বহন করবে। এসব ক্ষেত্রে কেন্দ্রসচিব লক্ষ্য রাখবেন যেনো পরীক্ষার্থীর উত্তরপত্র এবং তার ব্যবহৃত অন্যান্য দ্রব্য পরীক্ষা নিয়ন্ত্রকের কাছে পাঠানোর আগে উত্তমরূপে শোধন ও নির্বীজন করা হয়।





