বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে গঙ্গা পানি চুক্তির বিষয়টি দুই দেশের যৌথ নদী কমিশনেই আলোচিত হবে। দুই দেশের টেকনিক্যাল বা কারিগরি পর্যায়ে এই চুক্তি নিয়ে আলোচনা অব্যাহত রয়েছে। ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের ব্রিফিংয়ে এক প্রশ্নের জবাবে মঙ্গলবার এ কথা বলেন পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র রণধীর জয়সোয়াল।
বাংলাদেশের পানিসম্পদমন্ত্রী মো. শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানি সম্প্রতি ঢাকায় এক অনুষ্ঠানে সাংবাদিকদের বলেন, গঙ্গার পানিবণ্টন নিয়ে ভারতের সঙ্গে বাংলাদেশ নতুন চুক্তি চায়। সেই চুক্তি অনুযায়ী প্রাপ্যতার ভিত্তিতে দুই দেশের মধ্যে সমানভাবে পানিবণ্টন হবে। তিনি বলেন, নতুন চুক্তিতে এই ‘গ্যারান্টি ক্লজ’ রাখার মধ্য দিয়ে দেশের স্বার্থ রক্ষা করতে হবে।
ব্রিফিংয়ে এ বিষয়টি উত্থাপন করে ভারতের মনোভাব জানতে চাওয়া হলে রণধীর জয়সোয়াল বলেন, শুধু গঙ্গা নয়, দুই দেশের মধ্যে প্রবাহিত সব নদী বিষয়ে আলোচনার জন্য যৌথ নদী কমিশন রয়েছে। নদীসংক্রান্ত সব বিষয় ওই কমিশনেই আলোচিত হবে। এ প্রসঙ্গে তিনি আরও বলেন, গঙ্গা চুক্তির কারিগরি পর্যায়ের বৈঠকগুলো অনুষ্ঠিত হচ্ছে।
ভারত–বাংলাদেশের মধ্যে প্রবাহিত গঙ্গার পানিবণ্টন চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছিল ১৯৯৬ সালের ১২ ডিসেম্বর। ৩০ বছর মেয়াদি সেই চুক্তি আগামী ১২ ডিসেম্বর শেষ হবে। এই চুক্তি নিয়ে আলোচনার জন্য বাংলাদেশ কারিগরি কমিটি করে গত জুন থেকে একাধিকবার ভারতকে জানিয়েছে। তবে দিল্লি থেকে কোনো সাড়া পাওয়া যায়নি বলে ঢাকার কূটনৈতিক সূত্র জানিয়েছে।
ভারতের জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা অজিত দোভাল সম্প্রতি ঢাকা সফর করেছেন কি না, সেই বিষয়ও ব্রিফিংয়ে জানতে চাওয়া হয়। জবাবে জয়সোয়াল বলেন, এ বিষয়ে তাঁর কাছে কোনো তথ্য নেই।





