২০২৬-২০২৭ অর্থবছরের জন্য ৯ লাখ ৩৮ হাজার কোটি টাকার বাজেট উপস্থাপন করছেন বিএনপি সরকারের অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী। ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনে জিতে বিএনপি সরকার গঠন করার পর এটাই প্রথম বাজেট। বৃহস্পতিবার (১১ জুন) বেলা ৩টায় জাতীয় সংসদে তিনি ২০২৫-২৬ অর্থবছরের বাজেট উপস্থাপন শুরু করেন।
স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদের সভাপতিত্বে অধিবেশনে সংসদ নেতা প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এবং বিরোধী দলীয় নেতা শফিকুর রহমানও উপস্থিত রয়েছেন।
নতুন অর্থবছরের খসড়া বাজেটে স্টার্টআপ, কনটেন্ট নির্মাতা ও ফ্রিল্যান্সারদের জন্য একাধিক ভ্যাট অব্যাহতির প্রস্তাব রাখা হয়েছে।
খসড়া বাজেট অনুযায়ী, বর্তমানে স্থানীয় পর্যায়ে স্টার্টআপের ওপর আরোপিত ১৫ শতাংশ ভ্যাট অব্যাহতি দেয়ার প্রস্তাব করা হয়েছে। পাশাপাশি স্টার্টআপগুলোর আমদানি করা সেবা এবং স্টার্টআপ প্রতিষ্ঠানের ব্যবহৃত অফিস বা অন্যান্য স্থাপনা ভাড়ার ওপর আরোপিত ১৫ শতাংশ ভ্যাটও মওকুফের প্রস্তাব রয়েছে। স্টার্টআপের জন্য প্রস্তাবিত এসব ভ্যাট অব্যাহতি ২০৩৫ সালের ৩০ জুন পর্যন্ত বহাল থাকবে।
এছাড়া, পৃথক একটি প্রস্তাবে কনটেন্ট নির্মাতা ও ফ্রিল্যান্সারদের দেওয়া সেবার ওপর বর্তমানে আরোপিত ১৫ শতাংশ ভ্যাট পুরোপুরি প্রত্যাহারের কথা বলা হয়েছে।
বিএনপি সরকারের প্রথম এই বাজেটের শিরোনাম দেওয়া হয়েছে– ‘গণতান্ত্রিক, মানবিক ও অন্তর্ভুক্তিমূলক অর্থনীতির অভিযাত্রা’।
এবারের বাজেটে ঘাটতির পরিমাণ ২ লাখ ৪৩ হাজার কোটি টাকা, রাজস্ব আদায়ের লক্ষ্য ৬ লাখ ৯৫ হাজার কোটি টাকা, বিদেশি ঋণ পরিশোধে ব্যয় ৪৬ হাজার কোটি টাকা, বিদেশি অনুদানের লক্ষ্য ৬ হাজার ১৫০ কোটি টাকা ও ব্যাংক ঋণের লক্ষ্য ১ লাখ ১২ হাজার কোটি টাকা।
এদিকে, সঞ্চয়পত্র থেকে আসবে ১৫ হাজার কোটি টাকা, করমুক্ত আয়সীমা ৩ লাখ ৭৫ হাজার কোটি টাকা। এ ছাড়া ব্যাংক অ্যাকাউন্টে চার লাখ টাকা পর্যন্ত স্থিতি থাকলে আবগারি শুল্ক দিতে হবে না।






