গোপালগঞ্জে ধর্মীয় মর্যাদা ও আনন্দঘন পরিবেশে উদ্যাপিত হচ্ছে খ্রিষ্টান ধর্মাবলম্বীদের ধর্মীয় উৎসব ইস্টার সানডে। যীশুখ্রিষ্টের পুনরুত্থান উপলক্ষ্যে আয়োজিত এই দিনে গির্জায় বিশেষ প্রার্থনা ও উপাসনায় দেশ ও জাতির মঙ্গল কামনা করা হয়।
গোপালগঞ্জ খ্রিষ্টান ফেলোশিপের উদ্যোগে শহরের ঘোষেরচর ব্যাপটিস্ট চার্চে বিভিন্ন ধর্মীয় অনুষ্ঠানের আয়োজন করে।
রবিবার (৫ এপ্রিল) সকালে শহরের ঘোষেরচর ব্যাপটিস্ট চার্চের ফাদার পাস্টর জিবেস্তা গমেজ প্রভাত প্রার্থনা ও ধর্মীয় সংগীত পরিবেশন করান।
পরে একে অপরের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় করেন।
এদিন উপলক্ষ্যে অনুষ্ঠিত আলোচনা সভায় সভাপতিত্ব করেন প্রতিষ্ঠানের সভাপতি স্বপন কুমার বিশ্বাস।
বক্তব্য রাখেন খ্রিষ্টান ফেলোশিপ গোপালগঞ্জের সভাপতি শ্যামুয়েল এস বালা।
দুপুরে মধ্যাহ্নভোজ ও সন্ধ্যায় সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে আনুষ্ঠানিকতা শেষ হবে।
এ ছাড়া জেলার বিভিন্ন গির্জায়ও এ দিবসটি উদ্যাপন করা হচ্ছে।
ইস্টার সানডে শুধু একটি ধর্মীয় উৎসব নয়- এটি আশা, নতুন জীবন এবং বিশ্বাসের জয়ের প্রতীক। এদিনে ঈশ্বরপুত্র যিশু মৃত্যুকে জয় করে পুনরুত্থিত হয়ে তাদের পাপ থেকে মুক্ত করেছিলেন। খ্রিষ্টান বিশ্বাস অনুযায়ী, জেরুজালেমে প্রায় ৩০-৩৩ খ্রিষ্টাব্দে যীশুকে শুক্রবার ক্রুশবিদ্ধ করা হয় (যা আজ গুড ফ্রাইডে নামে পরিচিত)। মৃত্যুর তিন দিন পর রবিবার তিনি আবার জীবিত হয়ে ওঠেন। এই ঘটনাকেই বলা হয় পুনরুত্থান। যিশুর পুনরুত্থানের এই রবিবারকে ইস্টার সানডে বলা হয়।






