ইনকিলাব মঞ্চের আহ্বায়ক শরীফ ওসমান বিন হাদি হত্যাকাণ্ডের সুযোগ নিয়ে কিছুসংখ্যক ‘উগ্র, অবিবেচক গোষ্ঠী’ দেশের বিভিন্ন স্থানে অরাজকতা ও নৈরাজ্য সৃষ্টির অপচেষ্টায় লিপ্ত রয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন শিক্ষা উপদেষ্টা সি আর আববার।
সিঙ্গাপুরে হাদি মারা যাওয়ার খবর দেশে আসার পর মধ্যরাতে দুই দৈনিক সংবাদপত্র প্রথম আলো ও দ্য ডেইলি স্টারের কার্যালয় এবং ছায়ানট আর পরের দিন উদীচী শিল্পীগোষ্ঠীর কার্যালয়ে হামলা ও অগ্নিসংযোগের নিন্দাও করেছেন তিনি।
শনিবার এক বিবৃতিতে শিক্ষা উপদেষ্টা বলেন, “শহীদ শরীফ ওসমান হাদির শাহাদাতের হৃদয়বিদারক ঘটনায় যখন গোটা জাতি শোকাহত, তখন এ ঘটনার অপসুযোগ নিয়ে কিছুসংখ্যক উগ্র, অবিবেচক গোষ্ঠী দেশের বিভিন্ন স্থানে অরাজকতা ও নৈরাজ্য সৃষ্টির অপচেষ্টায় লিপ্ত রয়েছে।
“এই গোষ্ঠী বাংলাদেশের দীর্ঘদিনের সাংস্কৃতিক প্রতিষ্ঠান ছায়ানটের ভবন আক্রমণ করেছে। তাতে অগ্নিসংযোগ করেছে এবং এই প্রতিষ্ঠানের অনেক সংগীত ও শিক্ষা উপকরণ ধ্বংস করেছে।”
রাতে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের জনসংযোগ কর্মকর্তার পাঠানো এ বিবৃতিতে বলা হয়, “ছায়ানটের পরিচালনায় ওই ভবনে নালন্দা নামে যে বিদ্যালয়ের কার্যক্রম পরিচালিত হয়, এই আক্রমণে সেটিও ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। আমি এ ঘটনার তীব্র নিন্দা জানাই। একই সঙ্গে সাংস্কৃতিক সংগঠন উদীচীর কার্যালয়ে আক্রমণ ও অগ্নিসংযোগের নিন্দা জানাই।”
উপদেষ্টা সি আর আবরার বলেন, “বাংলাদেশের দুটি সংবাদপত্র প্রথম আলো ও দ্য ডেইলি স্টারের কার্যালয়ে সংঘটিত আক্রমণ এবং এ দেশের প্রবীণ ও সাহসী সাংবাদিক নূরুল কবীরকে অপদস্থ করার হীন কর্মকাণ্ডে আমি গভীর উদ্বেগ ও তীব্র নিন্দা প্রকাশ করছি।
“স্বার্থান্বেষী মহলের এ ধরনের কার্যকলাপ জুলাই আন্দোলনের চেতনাকে কালিমালিপ্ত করার অপপ্রয়াসই শুধু নয়; এর ফলে বাংলাদেশবিরোধী ফ্যাসিস্ট অপশক্তির ষড়যন্ত্র সফল হওয়ার আশঙ্কাও দেখা দিতে পারে।”






