হাজী মোহাম্মদ দানেশ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (হাবিপ্রবি) কৃষি অনুষদের জেনেটিক্স ও প্ল্যান্ট ব্রিডিং বিভাগের গবেষক মো. শফিকুল ইসলাম তাঁর পিএইচডি গবেষণায় তাপসহনশীল লাউয়ের হাইব্রিড উদ্ভাবনে উল্লেখযোগ্য সাফল্য অর্জন করেছেন।
গবেষণায় ৫৮টি লাউয়ের জেনোটাইপের জেনেটিক বৈশিষ্ট্য ও তাপসহনশীলতা মূল্যায়ন করে সেখান থেকে ৫টি সম্ভাবনাময় হাইব্রিড নির্বাচন করা হয়েছে। উচ্চ তাপমাত্রা ও প্রতিকূল পরিবেশে লাউয়ের উৎপাদনশীলতা বজায় রাখা এবং ভবিষ্যতে উন্নত জাত উদ্ভাবনের ভিত্তি তৈরি করাই ছিল গবেষণাটির অন্যতম প্রধান লক্ষ্য।
সোমবার সকাল ১১টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের কৃষি অনুষদের ভিআইপি কনফারেন্স রুমে মো. শফিকুল ইসলামের পিএইচডি চূড়ান্ত ডিফেন্স সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়। এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর ড. মো. এনামুল্লাহ। এ সময় উপ-উপাচার্য, কোষাধ্যক্ষ, রেজিস্ট্রার, বিভিন্ন অনুষদের ডিন, পোস্টগ্র্যাজুয়েট স্টাডিজের ডিন, বিভাগীয় চেয়ারম্যান, গবেষণার তত্ত্বাবধায়ক ও সহ-তত্ত্বাবধায়কসহ শিক্ষক, গবেষক ও কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
গবেষণার তত্ত্বাবধায়ক অধ্যাপক ড. মো. হাসানুজ্জামান বলেন, “জলবায়ু পরিবর্তনের প্রেক্ষাপটে তাপসহনশীল সবজি জাত উদ্ভাবন সময়ের গুরুত্বপূর্ণ দাবি। শফিকুলের গবেষণায় নির্বাচিত পাঁচটি হাইব্রিড ভবিষ্যতে উন্নত জাত উদ্ভাবনের ভিত্তি হিসেবে কাজ করবে।”
গবেষণার ফলাফল বাংলাদেশের কৃষি উৎপাদনে নতুন সম্ভাবনা তৈরি করবে বলে আশা করছেন সংশ্লিষ্টরা। গবেষণার মাধ্যমে উচ্চ তাপমাত্রায় লাউয়ের উৎপাদনশীলতা ধরে রাখার সম্ভাবনাময় জেনেটিক উপাদান শনাক্ত হওয়ায় ভবিষ্যতে জলবায়ু-সহনশীল জাত উদ্ভাবনে এটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।
বর্তমানে মো. শফিকুল ইসলাম ব্র্যাক সিড অ্যান্ড এগ্রো এন্টারপ্রাইজের সবজি গবেষণা বিভাগে ব্যবস্থাপক হিসেবে কর্মরত। উচ্চশিক্ষা ও গবেষণায় সহযোগিতা প্রদানের জন্য তিনি ব্র্যাকের সহযোগী পরিচালক, গবেষণা বিভাগের প্রধান, সহকর্মী ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। একই সঙ্গে তাঁর গবেষণার তত্ত্বাবধায়ক, সহ-তত্ত্বাবধায়ক, শিক্ষকবৃন্দ, পরিবার ও শুভাকাঙ্ক্ষীদের প্রতিও আন্তরিক কৃতজ্ঞতা জানান।





