শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন বলেছেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বাজেটে সব চেয়ে বেশি শিক্ষাকে গুরুত্ব দিয়েছে। প্রধানমন্ত্রীর ভালোবাসার প্রধান বিষয়বস্তু হচ্ছে শিক্ষা। আপনারা তাকে জিজ্ঞস করুন আপনার সব চেয়ে ফেভারিট ডিপার্টমেন্ট কোনটি তিনি বলেবেন শিক্ষা।
সোমবার দুপুর দুইটার দিকে নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (নোবিপ্রবি) ২০তম বিশ্ববিদ্যালয় দিবস উদযাপন এবং ডিনস ও ভাইস-চ্যান্সেলর অ্যাওয়ার্ড প্রদান অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
তিনি বলেন, আমাদের মাদরাসা শিক্ষকরা মে-জুন মাসের বেতন পাচ্ছেনা। ২০১৭ সালে একটি ইলেকট্রিক ফান্ড ট্রান্সফার প্রজেক্ট (ইটিএফ) হাতে নেওয়া হয়েছিল। ১০কোটি টাকার প্রজেক্ট এসে দাঁড়িয়েছে ৮০কোটি টাকায়। কিন্তু প্রজেক্ট শেষ হয়না। গত ইন্টেরিয়ম গভমেন্ট ১৭ হাজার মাদরাসা শিক্ষক নিয়োগ দিয়েছে। কিন্তু অটোমেটিক ফান্ডট্রান্সফারে প্রোগ্রাম না থাকায় কি পরিমাণ টাকা মাদরাসার শিক্ষকদের বেতনের জন্য বরাদ্দ করতে হবে তারা বুঝেননি। প্রতিমাসে ৫শ কোটি টাকার ওপরে মাদরাসা শিক্ষকদের প্রয়োজন হয়। একমাস বেতন না পেলে তার কি পরিমাণ ভোগান্তি যায়। মাদ্রাসা শিক্ষকদের বেতনের ভোগান্তির জন্য দায়ী বিগত ফ্যাসিস্ট সরকার।
মন্ত্রী বলেন, প্রধানমন্ত্রী শিক্ষার জন্য ব্যাপক কাজ করছেন। কারিগরি শিক্ষাকে গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। বাংলাদেশের জনসংখ্যাকে মানবসম্পদে রুপান্তর করতে হবে। এই জনসংখ্যা কারিগরি শিক্ষায় শিক্ষিত করতে পারলে আমাদের আয় বহুগুণ বেড়ে যেত। ৬ষ্ঠ শ্রেণি থেকে কারিগরি শিক্ষাকে কিভাবে গুরুত্ব দেওয়া যায়। সেই বিষয়টি ভেবে দেখা হচ্ছে। মাদরাসা শিক্ষাকে আধুনিকায়ন করা হচ্ছে। আমরা অত্যন্ত ভাগ্যবান আমরা তারেক রহমানের মত একজন প্রধানমন্ত্রী পেয়েছি। আমি জানিনা আমার এই বয়সে বিশ্ব পরিমন্ডলে তারেক রহমানের মত কোন প্রধানমন্ত্রী পৃথিবীতে এসেছে কিনা, আমি আর দেখছিনা।






