ঢাকা | সোমবার, ১৫ জুন ২০২৬,১ আষাঢ় ১৪৩৩

শিক্ষকদের ডিজিটাল হাজিরা চালু, হোয়াটসঅ্যাপে ছবি পাঠানো বাধ্যতামূলক

সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকদের দৈনন্দিন উপস্থিতি নিবিড়ভাবে মনিটরিং করার উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। আজ ১৫ জুন থেকে দেশব্যাপী এই নতুন উপস্থিতি ট্র্যাকিং ব্যবস্থা চালু হয়েছে। বাধ্যতামূলকভাবে স্কুলে উপস্থিতি নিশ্চিত করে হাজিরা খাতার ছবি পাঠাতে হবে নির্ধারিত হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপে। এই নির্দেশনা অমান্য করলে শাস্তি পেতে হবে শিক্ষকদের।

আজ সোমবার (১৫ জুন) প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

অধিপ্তরের এক কর্মকর্তা বলেন, আজ সোমবার থেকে এ কার্যক্রম শুরু হয়েছে। আমাদের কাছে এখনো পূর্ণাঙ্গ ডেটা এখনো আসেনি। আমরা খোঁজ নিচ্ছি। আমরা প্রথদিকে সবটা পাবো না। আস্তে-আস্তে হবে। আমরা শুরুটা করলাম।

তিনি বলেন, সারা দেশে ৪ লাখ শিক্ষকের তথ্য আমরা আশাকরি পাবো। আমাদের মূল টার্গেট হলো শিক্ষকদের সময়মতো হাজিরা নিশ্চিত করা, ক্লাস নেয়া নিশ্চিত করা। শিক্ষকদের সরকারি চাকরিবিধি মানতে হবে।

ঢাকার একটি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক বলেন, আমাদের হোয়াটঅ্যাপ গ্রুপ খোলা হয়েছে। উপজেলা, থানা সহকারী শিক্ষা অফিসার (এটিও), উপজেলা বা থানা শিক্ষা অফিসার (টিও), জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার (ডিপিও) প্রাথমিক শিক্ষার আঞ্চলিক উপ-পরিচালক (ডিডি) স্যার এই গ্রুপ খুলেছেন। বাধ্যতামূলকভাবে সকাল নয়টা ১০ মিনিটের মধ্যে এই গ্রুপে পাঠাতে হবে কয়জন শিক্ষক উপস্থিত রয়েছেন, কয়জন নেই তার তথ্য। হাজিরা খাতার ছবি তুলে পাঠাতে হবে। আমরা পাঠাবো এটিও স্যারকে, এটিও স্যার পাঠাবেন টিও স্যারকে, টিও স্যার আবার পাঠাবেন ডিপিওকে, ডিপিও স্যার পাঠাবেন ডিডি স্যারকে। সেখান থেকে অধিদপ্তরে আসবে এই তথ্য। ঠিক পৌনে দশটায় ডিজি স্যার এটা দেখতে পারবেন। একই সঙ্গে প্রধান শিক্ষকরা গুগল শিটে এই তথ্য দেবেন।

সূত্র জানিয়েছে, প্রাথমিক শিক্ষার গুণগত মান উন্নয়ন এবং শ্রেণিকক্ষে পাঠদানের ধারাবাহিকতা বজায় রাখতেই এমন ব্যবস্থা। কোনো কর্মকর্তা বা প্রধান শিক্ষক ভুল তথ্য দিলে বা তথ্য পাঠাতে ব্যর্থ হলে তার বিরুদ্ধে ব্যক্তিগতভাবে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেয়া হবে বলে নির্দেশনায় জানানো হয়েছে।