কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের (কুবি) প্রত্নতত্ত্ব বিভাগে সাংস্কৃতিক বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের ২০২৪-২৫ অর্থবছরের গবেষণা প্রকল্পের আওতায় দুইটি বিশেষ সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়েছে।
শনিবার (৯ মে) বিশ্ববিদ্যালয়ের সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদের ৫০১ নম্বর হলরুমে দিনব্যাপী এ সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়।
প্রথম সেমিনারের বিষয় ছিল “কুমিল্লা জেলার মুঘল ও ঔপনিবেশিক মসজিদের সমন্বিত প্রত্নতাত্ত্বিক নথিভুক্তকরণ ও শ্রেণিবিন্যাস “এ কমপ্রিহেনসিভ আর্কিওলজিক্যাল ডকুমেন্টেশন অ্যান্ড ক্লাসিফিকেশন অব মুঘল অ্যান্ড কলোনিয়াল মস্কস অব কুমিল্লা ডিস্ট্রিক্ট” এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন দিপাংকর বিশ্বাস, যুগ্ম সচিব (প্রত্নতত্ত্ব ও জাদুঘর), সাংস্কৃতিক বিষয়ক মন্ত্রণালয়। বিশেষ অতিথি ছিলেন মোঃ সাইফুল ইসলাম , উপসচিব (প্রত্নতত্ত্ব ও জাদুঘর), সাংস্কৃতিক বিষয়ক মন্ত্রণালয়।
সেমিনারে সভাপতিত্ব করেন প্রত্নতত্ত্ব বিভাগের বিভাগীয় প্রধান ও সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ সোহরাব উদ্দিন। গবেষণা প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন প্রত্নতত্ত্ব বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ও প্রকল্পের প্রধান গবেষক ড. মাহমুদুল হাসান খান। আলোচক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রত্নতত্ত্ব বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক মোহাম্মদ নুরুল কবির ভূইয়া।

দ্বিতীয় সেমিনারের বিষয় ছিল “প্রাচীন বাংলার পোশাক, অলংকার ও কেশবিন্যাস: ভাস্কর্যভিত্তিক একটি গবেষণা (আদি যুগ থেকে ১২০৫ খ্রিষ্টাব্দ পর্যন্ত)” “কস্টিউমস, অর্নামেন্টস অ্যান্ড কোইফিউর অব এনশিয়েন্ট বেঙ্গল: এ স্টাডি বেইজড অন স্কাল্পচারাল এভিডেন্স ফ্রম দ্য আর্লিয়েস্ট টাইম টু ১২০৫ এ.ডি.”এতে প্রধান অতিথি ও বিশেষ অতিথি হিসেবে একই ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।
সেমিনারে সভাপতিত্ব করেন জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রত্নতত্ত্ব বিভাগের অধ্যাপক প্রফ. ড. সিমা হক। গবেষণা প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রত্নতত্ত্ব বিভাগের সহকারী অধ্যাপক শারমিন রেজওয়ানা ও প্রকল্পের প্রধান গবেষক। আলোচক ছিলেন প্রফ. মালিহা নরগিস আহমেদ।

সেমিনারে বিভাগের শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও গবেষকরা অংশগ্রহণ করেন। এছাড়াও বক্তারা বলেন, এ ধরনের গবেষণা ও একাডেমিক আয়োজন বাংলাদেশের প্রত্নতাত্ত্বিক ঐতিহ্য, প্রাচীন সংস্কৃতি ও স্থাপত্য সংরক্ষণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।





