কুমিল্লায় স্কুল ছাত্র অপ্রতিম হত্যার ঘটনায় সরাসরি জড়িত ৩ আসামি এবং সন্দেহভাজন হিসেবে গ্রেপ্তার অপর একজনসহ ৪ আসামিকে কুমিল্লা কারাগারে পাঠানো হয়েছে। তবে বয়স কম হওয়ায় ৪ জনের মধ্য মোজাম্মেল হোসেন ফাহাদ (১৫) ও কামরুল হাসানকে (১৬) গাজীপুর সংশোধনাগারে ( শিশু উন্নয়ন কেন্দ্র) পাঠানো হবে।
গতকাল (রোববার, ২০ সেপ্টেম্বর) রাতে অপ্রতিম হত্যা মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা ও সদর দক্ষিণ মডেল থানার এসআই মো. সাইফুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
তিনি বলেন, ‘আমরা ৪ জনকে কুমিল্লা কারাগার কর্তৃপক্ষের কাছে হস্তান্তর করেছি। আদালত আজ দুই কিশোর ফাহাদ ও কামরুলকে সংশোধনাগারে পাঠানোর অনুমতি দিয়েছেন। অপর দুই আসামি তুহিন (১৯) ও সিয়াম (১৯) কুমিল্লা কারাগারে থাকবে। এস আই সাইফুল বলেন, দুই জনের মধ্যে সিয়াম মামলায় গ্রেপ্তার সন্দেহভাজন আসামি।’
রাত ১০টায় কুমিল্লা কেন্দ্রীয় কারাগারের সিনিয়র জেল সুপার মো. শাহ আলম খান বলেন, ‘পুলিশ একটি হত্যায় মামলায় রাতে ৪ আসামিকে আমাদের নিকট হস্তান্তর করেছেন। এদের মধ্যে দুই কিশোরকে সোমবার গাজীপুর জেলার টঙ্গী শিশু উন্নয়ন কেন্দ্রে পাঠানো হবে।’
উল্লেখ্য, কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের (কুবি) বাংলা বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. নাহিদা বেগমের নিখোঁজ ছেলে ইশিয়াত শাহরিয়ার অপ্রতিমের (১৩) মরদেহ শনিবার দুপুরে কুবি ক্যাম্পাসের পার্শ্ববর্তী জঙ্গল লালমাই সানন্দা পাহাড় এলাকা থেকে উদ্ধার করা হয়। গত শুক্রবার সে নিখোঁজ হয়।
রোববার দুপুরে কুমিল্লা পুলিশ সুপার মো. আনিসুজ্জামান সংবাদ সম্মেলনে বলেন, ‘মোবাইল ফোন ছিনিয়ে নিতেই তাকে হত্যা করা হয়েছে।’
এদিকে রোববার রাতে সিয়াম ছাড়া অপর ৩ জন আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছে। বিষয়টি নিশ্চিত করছেন আদালতের পুলিশ পরিদর্শক মোহাম্মদ সাদেকুর রহমান।





