ঢাকা | রবিবার, ২৩ আগস্ট ২০২৬,৮ ভাদ্র ১৪৩৩

উচ্চ শিক্ষার চ্যালেঞ্জগুলো প্রধানমন্ত্রীর নখদর্পণে: ইউজিসি চেয়ারম্যান

বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশনের (ইউজিসি) চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. মামুন আহমেদ বলেছেন, বাংলাদেশের উচ্চ শিক্ষার চ্যালেঞ্জ ও সমস্যাগুলো যা আপনারা গত দুইদিনে আলোচনা করেছেন তার সবকিছু ইউজিসি, শিক্ষা মন্ত্রণালয় ও আমাদের প্রধানমন্ত্রীর নখদর্পণে রয়েছে। ওনারা প্রত্যেকেই চিন্তা করছেন, চেষ্টা করছেন আমাদের চিন্তাগুলো প্রাক্টিক্যালি এই ট্রান্সফারমেশনটা কীভাবে সম্ভব।

শনিবার বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশনের (ইউজিসি) উদ্যোগে উপাচার্যদের সঙ্গে দুই দিনব্যাপী জাতীয় পর্যায়ের নীতিনির্ধারণী সংলাপে এ কথা বলেন তিনি। গতকাল শুক্রবার সাভারের ব্র্যাক সিডিএমে এ সংলাপের আয়োজন করা হয়। আজ শনিবার (২২ আগস্ট) এর সমাপনী অনুষ্ঠান।

এই অনুষ্ঠানে সমাপনী সেশনে যোগ দেন শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন।

ইউজিসি চেয়ারম্যান আরো বলেন, আমরা চাই উচ্চ শিক্ষায় এই পরিবর্তনটা করতে। কিন্তু কীভাবে এই পরিবর্তন হবে সেটা করতে গিয়ে আমরা উচ্চ শিক্ষার এই সমস্যা নিরসনে বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশন তার ম্যান্ডেট অনুযায়ী পাঁচ বছরের একটা স্ট্রাটেজি তৈরি করেছে।

সরকারের মেনুফেস্ট, অ্যাক্টিভিটিস এ নিয়ে আমরা আলাদা করে এই স্ট্রাটেজি প্রস্তাব করছি। আমরা যখন এটা নিয়ে আলোচনা করেছি তখন এগুলো পাঁচটা ভাগে ভাগ করেছি। আমাদের উচ্চ শিক্ষায় যে চ্যালেঞ্জ রয়েছে তা মোকাবিলার সব উপাদান এই পাঁচ ভাগে আছে।

আমাদের এই স্ট্রাটেজি সব থেকে গুরুত্বপূর্ণ পার্ট হলো, আমরা যা কিছু পড়াশোনা করি তার অনেক কিছুই আমাদের জব মার্কেটে মেলে না। এটার জন্য ইন্ডাস্ট্রি ও একাডেমিয়া করতে চাই। আমরা কীভাবে ইন্ডাস্ট্রি ও একাডেমিয়া কাছাকাছি আনা যায় সেই চিন্তা করছি। প্রাক্টিক্যাল ফিল্ডে জব মার্কেটে সব দক্ষতা একজন শিক্ষার্থীর থাকতে হবে। একই সঙ্গে কো-কারিকুলাম অ্যাক্টিভিটিস, সফট স্কিল থাকতে হবে। লিডারশিপ তার মধ্যে থাকতে হবে। কারিকুলাম মডারেশনের ক্ষেত্রে আমাদের ইন্ডাস্ট্রি এক্সপার্টদের সঙ্গে আলোচনা করা উচিত। সেই প্রস্তাব করেছি।

আমি যখন বলছি একজন গ্র্যাজুয়েটের মধ্যে এমন দক্ষতা থাকতে হবে যেনো সে লোকালি ও ইন্টারন্যাশনালি ইমপ্লোয়েড হবে। আমরা ভেবেছি একজন গ্র্যাজুয়েট যখন ইউনিভার্সিটি থেকে বের হয়ে যাবে তখন তার মধ্যে কী ধরনের গুণাবলী থাকা দরকার। যে বিষয়ে সে পড়াশোনা করেন তার সেই বিষয়ের যাবতীয় সবকিছু থাকতে হবে। আর সফট স্কিল থাকতে হবে। সেটা আমরা ইনক্লুড করতে চাই।

এই ফ্রেমওয়ার্ক দিয়ে বোঝাচ্ছি একজন গ্র্যাজুয়েট সত্যিকার অর্থে ইমপ্লোয়েড হয়ে উঠবে।