ঢাকা | মঙ্গলবার, ১৯ মে ২০২৬,৫ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩

প্রাথমিকের বৃত্তি পরীক্ষা বর্জন ও আমরণ অনশনের হুঁশিয়ারি শিক্ষকদের

তিন দাবি বাস্তবায়ন না হওয়ায় নতুন কর্মসূচি ঘোষণা করেছেন সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষকেরা। তারা বলছেন, দাবি আদায়ে দৃশ্যমান অগ্রগতি বা ঘোষণা না আসলে সব পরীক্ষা বর্জন এবং ১১ ডিসেম্বর থেকে আমরণ অনশন কর্মসূচি পালন করা হবে।স্কুল সাপ্লাই

শনিবার (১ নভেম্বর) সকালে জাতীয় প্রেস ক্লাবের আবদুস সালাম হলে প্রাথমিক সহকারী শিক্ষক সংগঠন ঐক্য পরিষদের ব্যানারে এক সংবাদ সম্মেলনে এ কর্মসূচি ঘোষণা করা হয়।

কর্মসূচি ঘোষণা করেন, শিক্ষক নেতা আনিসুর রহমান। তিনি বলেন, আগামী ডিসেম্বরে বৃত্তি পরীক্ষা রয়েছে। আমাদের দাবি না মানলে আমরা বৃত্তি পরীক্ষা বর্জন করবো। একই সঙ্গে আমরণ অনশনে বসবো।

সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষকদের তিন দাবির মধ্যে রয়েছে সহকারী শিক্ষক এন্ট্রিপদে ১১তম গ্রেড, ১০ বছর ও ১৬ বছর পূর্তিতে উচ্চতর গ্রেড জটিলতা নিরসন এবং শতভাগ বিভাগীয় পদোন্নতির নিশ্চয়তা।

সংবাদ সম্মেলনে বলা হয়, আগামী ১৫ নভেম্বরের মধ্যে তিন দাবি মানা না হলে ২৩ ও ২৪ নভেম্বর অর্ধদিবস কর্মবিরতি পালন করা হবে, ২৫ ও ২৬ নভেম্বর পূর্ণদিবস কর্মবিরতি এবং ২৭ নভেম্বর প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের সামনে অবস্থান কর্মসূচি পালন করা হবে।

এর আগে প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষকেরা ৫ থেকে ১৫ মে পর্যন্ত দিনে ১ ঘণ্টা, ১৬ থেকে ২০ মে পর্যন্ত ২ ঘণ্টা, ২১ থেকে ২৫ মে পর্যন্ত অর্ধদিবস কর্মবিরতি পালন করেন। ২৬ মে থেকে তারা পূর্ণদিবস কর্মবিরতি শুরু করেছিলেন। পরে ২৯ মে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা বিধান রঞ্জন রায় পোদ্দারের সঙ্গে শিক্ষকনেতাদের বৈঠক হয়। এরপর কর্মবিরতি কর্মসূচি ২৫ জুন পর্যন্ত স্থগিত করা হয়।

দেশে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সংখ্যা ৬৫ হাজার ৫৬৭টি। অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, এসব বিদ্যালয়ে ৩ লাখ ৮৪ হাজার শিক্ষক কর্মরত। গত ২৪ এপ্রিল ১১তম গ্রেডে বেতন পাওয়া প্রধান শিক্ষকদের বেতন ১০ম গ্রেডে এবং ১৩তম গ্রেডে বেতন পাওয়া শিক্ষকদের বেতন ১২তম গ্রেডে উন্নীত করার উদ্যোগ নেয় প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়।