প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে দ্বিপাক্ষিক সফর ও ব্রিকস সম্মেলনে অংশগ্রহণে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে বলে জানিয়েছে ভারত। মঙ্গলবার (১১ আগস্ট) দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র রণধীর জয়সওয়াল সাপ্তাহিক প্রেস ব্রিফিংয়ে এ নিয়ে কথা বলেন। তিনি জানান, পৃথক দুই উপলক্ষে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর কাছে পত্র পাঠানো হয়েছে।
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ভারত সফরের আমন্ত্রণ নিয়ে এক সাংবাদিক প্রশ্ন করার পর তিনি বলেন, “গতকাল বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে আমাদের হাইকমিশনারের একটি বৈঠক হয়। ওই বৈঠকে দ্বিপাক্ষিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিষয় নিয়ে কথা হয়। আপনি (প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে) আমন্ত্রণের যে ব্যাপারটি উল্লেখ করলেন, আমরা দ্বিপাক্ষিক সফর এবং একইসঙ্গে দিল্লিতে ব্রিকস সম্মেলনে যোগ দিতে তাকে আমন্ত্রণ জানিয়েছি। এ বিষয়ে আমরা আপনাদের আরও পরবর্তী তথ্য জানাব।”
তবে প্রধানমন্ত্রীর ব্রিকস সম্মেলনে যোগ দেওয়ার ব্যাপারে এখন পর্যন্ত বাংলাদেশ কোনো সিদ্ধান্ত নেয়নি বলে গতকাল জানান পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমান।
গতকাল ভারতীয় দূত দীনেশ ত্রিবেদী প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠকের পর এ কথা জানান তিনি। পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, “ব্রিকসে ‘প্রধানমন্ত্রী’কে দাওয়াত দেওয়া হয়নি, দাওয়াত দেওয়া হয়েছে ‘চেয়ারপাসন অব বিমসটেক’কে। এই পার্থক্যটা আপনারা বোঝবার চেষ্টা করেন। এর আগে, ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি আমাদের প্রধানমন্ত্রীকে একটি চিঠি লিখেছেন এবং সেই চিঠিটি আমাদের সরকার গঠনের দিন হস্তান্তর করা হয়েছিল, সেখানে তিনি আমন্ত্রণ জানিয়েছিলেন। আমন্ত্রণ একটি আছে, সেটা আমরা দেখব।”
আগামী ১২-১৩ সেপ্টেম্বর দিল্লিতে অনুষ্ঠেয় ব্রিকস শীর্ষ সম্মেলনের আউটরিচ পর্বে বিমসটেকের চেয়ারপারসন হিসেবে তারেক রহমানকে অংশ নেওয়ার জন্য আমন্ত্রণ জানিয়েছেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। সেই আমন্ত্রণপত্রে তারেক রহমানকে ‘বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী’ হিসেবে উল্লেখ করা হয়নি।
এছাড়া, ভারতের প্রধানমন্ত্রী আরেক আমন্ত্রণপত্রে বাংলাদেশের সরকারপ্রধানকে দিল্লি সফরের আমন্ত্রণ জানিয়েছেন।





