নবম জাতীয় বেতন স্কেলে সরকারি চাকরিজীবীদের বেতন ৯০ শতাংশ বাড়ছে—সম্প্রতি এমন আলোচনা ছড়িয়ে পড়লেও বিষয়টিকে সম্পূর্ণ গুজব বলে জানিয়েছে জাতীয় বেতন কমিশন (পে-কমিশন)।
গতকাল মঙ্গলবার রাতে কমিশনের একটি দায়িত্বশীল সূত্র জানায়, নবম পে-স্কেলে বেতন কত শতাংশ বৃদ্ধি পাবে কিংবা গ্রেড সংখ্যা কত হবে—এ বিষয়ে এখনো চূড়ান্ত কোনো সিদ্ধান্ত হয়নি। এসব বিষয়ে ঐকমত্য না হওয়ায় কমিশন এখনো সরকারের কাছে সুপারিশ জমা দিতে পারেনি।
নবম পে-স্কেল নিয়ে স্থগিত থাকা পূর্ণ কমিশনের সভার নতুন তারিখ নির্ধারণ করা হয়েছে। আগামী বৃহস্পতিবার (৮ জানুয়ারি) দুপুর ১২টায় সচিবালয়ে কমিশনের সভাকক্ষে এ সভা অনুষ্ঠিত হবে।
কমিশনের এক সদস্য জানান, ওই সভায় গ্রেড সংখ্যা ও অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হতে পারে।
পে-কমিশন সূত্রে জানা গেছে, সরকারি চাকরিজীবীদের বেতন কাঠামো নিয়ে কমিশন তিনটি বিকল্প নিয়ে ভাবছে। বর্তমানে বিদ্যমান ২০টি গ্রেড অপরিবর্তিত রেখে বেতন-ভাতা বৃদ্ধির পক্ষে কমিশনের একটি অংশ। তবে অন্য অংশের মত হলো, গ্রেড সংখ্যা কমিয়ে ১৬টি করা উচিত।
আবার কমিশনের আরেকটি অংশ গ্রেড সংখ্যা আরও কমিয়ে ১৪টি করার পক্ষে মত দিয়েছে। তাদের যুক্তি, গ্রেড বেশি হলে বেতন বৈষম্য বাড়ে, তাই কম গ্রেডে তুলনামূলক ভারসাম্যপূর্ণ বেতন কাঠামো নিশ্চিত করা সম্ভব।
জানা গেছে, নবম পে-স্কেল নিয়ে বিভিন্ন সংস্থা ও সংগঠন থেকে প্রাপ্ত মতামত ইতোমধ্যে বিশ্লেষণ করেছে পে-কমিশন। প্রতিবেদন তৈরির কাজ প্রায় শেষ হলেও সদস্যদের মধ্যে ঐকমত্য না হওয়ায় এখনো চূড়ান্ত সুপারিশ প্রস্তুত করা সম্ভব হয়নি।
কমিশন জানিয়েছে, বাস্তবসম্মত ও গ্রহণযোগ্য নবম পে-স্কেল প্রণয়নের লক্ষ্যেই সব প্রস্তাব গভীরভাবে পর্যালোচনা করা হচ্ছে। প্রয়োজনীয় বিষয়ে ঐকমত্য হলে দ্রুতই সরকারের কাছে চূড়ান্ত সুপারিশ জমা দেওয়া হবে।







