এলোপাথাড়িভাবে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান জাতীয়করণের প্রস্তাব না এনে এ বিষয়ে একটি সুনির্দিষ্ট নীতিমালা প্রণয়নের নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। এ নীতিমালার আওতায় যেসব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান জাতীয়করণের জন্য নির্ধারিত শর্ত পূরণ করবে, সেগুলোই পরবর্তীতে জাতীয়করণের আওতায় আসবে।
গত বুধবার শিক্ষা মন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলনকে এ নির্দেশনা দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের একটি সূত্র দৈনিক শিক্ষাডটকমকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছে।
মন্ত্রণালয় সূত্র জানায়, সারা দেশ থেকে বিচ্ছিন্নভাবে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান জাতীয়করণের প্রস্তাব আসছিল। এভাবে একের পর এক প্রতিষ্ঠান জাতীয়করণের প্রস্তাব আসার বিষয়টি প্রধানমন্ত্রীর দৃষ্টিতে আসে। পরে তিনি শিক্ষামন্ত্রীকে এ বিষয়ে একটি সুস্পষ্ট নীতিমালা তৈরির নির্দেশ দেন।
জাতীয়করণের ক্ষেত্রে কোন ধরনের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান অগ্রাধিকার পাবে, কী কী শর্ত পূরণ করতে হবে এবং কোন কোন মানদণ্ডের ভিত্তিতে প্রতিষ্ঠান নির্বাচন করা হবে—নীতিমালায় এসব বিষয় স্পষ্ট করা হবে বলে জানা যায়।
নীতিমালা হলে ভবিষ্যতে ইচ্ছেমতো বা বিচ্ছিন্নভাবে কোনো শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান জাতীয়করণের সুযোগ থাকবে না। বরং নীতিমালায় নির্ধারিত যোগ্যতা ও শর্ত পূরণকারী প্রতিষ্ঠানগুলোই জাতীয়করণের জন্য বিবেচিত হবে বলে জানা গেছে।
এতে প্রতিষ্ঠান বাছাইয়ে স্বচ্ছতা নিশ্চিত করার পাশাপাশি জাতীয়করণের প্রস্তাবগুলো যাচাই-বাছাই করাও সহজ হবে।







