মার্কিন রাষ্ট্রবিজ্ঞানী ও আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিশ্লেষক জন মিয়ারশেইমার দাবি করেছেন, গাজায় ইসরাইলের ঘোষিত সামরিক লক্ষ্যগুলো পূরণ হয়নি এবং এর আড়ালে থাকা মূল উদ্দেশ্য ছিল গাজা থেকে ফিলিস্তিনিদের জাতিগতভাবে উচ্ছেদ করা।
গত ১৫ মে অস্ট্রেলিয়ার সেন্টারে ফর ইন্ডিপেন্ডেন্ট স্টাডিস আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে বক্তব্য দিতে গিয়ে মিয়ারশাইমার বলেন, পশ্চিমা গণমাধ্যমে গাজা যুদ্ধের প্রকৃত লক্ষ্য নিয়ে খুব কম আলোচনা হয়। তার ভাষ্য অনুযায়ী, গাজার প্রকৃত লক্ষ্য ছিল জাতিগত নির্মূল (এথনিক ক্লিনজিং)।
তিনি বলেন, ইসরাইল রাষ্ট্র হিসেবে তার বর্তমান কাঠামো বজায় রাখতে দুটি পথের মধ্যে রয়েছে। একটি হলো বর্ণবাদভিত্তিক শাসনব্যবস্থা (অ্যাপারথাইড), যা তার মতে বর্তমানে বিদ্যমান; অন্যটি হলো জাতিগত নির্মূল, যা গাজায় বাস্তবায়নের চেষ্টা করা হলেও তা সফল হয়নি।
মিয়ারশাইমারের মতে, গাজা থেকে ফিলিস্তিনিদের সরিয়ে দিতে হলে বিপুল সংখ্যক নিরীহ মানুষকে হত্যা করতে হবে এবং অঞ্চলটিকে বসবাসের অযোগ্য করে তুলতে হবে, যাতে জনগণ এলাকা ছাড়তে বাধ্য হয়।
গাজা যুদ্ধের শুরুতে তিনি ইসরাইলের কর্মকাণ্ডকে ‘গণহত্যা’ বলতে অনীহা প্রকাশ করেছিলেন। তবে ২০২৩ সালের ডিসেম্বরের পর থেকে তার অবস্থান পরিবর্তিত হয়েছে বলে জানান তিনি। বর্তমানে তিনি বিশ্বাস করেন, গাজায় ইসরাইল এমন কর্মকাণ্ডে জড়িত যা গণহত্যার পর্যায়ে পড়ে।
সূত্র: মিডল ইস্ট আই






