জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয়ের ব্যবসায় প্রশাসন অনুষদের শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণে ‘CMA Choice: Your Future Professional Career an Exciting Success Route’ শীর্ষক সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (১৪ মে) ব্যবসায় প্রশাসন অনুষদ ভবনের কনফারেন্স কক্ষে সেমিনারটি অনুষ্ঠিত হয়। বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. জাহাঙ্গীর আলম প্রধান অতিথি হিসেবে সেমিনারের উদ্বোধন ঘোষণা করেন। উদ্বোধনী পর্বে দুটি সমঝোতা স্মারক (MoU) স্বাক্ষরিত হয়।
উপাচার্য বলেন, ‘আমার অভিজ্ঞতা থেকে বলতে পারি, ব্যবসায় প্রশাসন অনুষদের শিক্ষার্থীরা তুলনামূলক মেধাবী হয়ে থাকে। এই অনুষদের শিক্ষার্থীদের জন্য দেশ-বিদেশে চাকরির বিশাল বাজার রয়েছে। বিভিন্ন বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠানে কাজের যথেষ্ট সুযোগ আছে। তোমরা যদি নিজেদের মেধা ও দক্ষতাকে সঠিকভাবে উপস্থাপন করতে পারো, তাহলে অবশ্যই ভালো প্রতিষ্ঠানে ভালো পদে স্থান করে নিতে সক্ষম হবে।’
সেমিনারে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ড. জয়নুল আবেদীন সিদ্দিকী, The Institute of Cost and Management Accountants of Bangladesh (ICMAB)-এর ভাইস-প্রেসিডেন্ট এস. এম. জহির উদ্দিন হায়দার এবং Hossain Mumlook & Co.-এর প্রিন্সিপ্যাল মো. মামলুক হোসেন।
স্বাগত বক্তব্য প্রদান করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার (ভারপ্রাপ্ত) অধ্যাপক ড. মো. মিজানুর রহমান। সভাপতিত্ব করেন ব্যবসায় প্রশাসন অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. সাখাওয়াত হোসেন সরকার।
সেমিনার শেষে বিশ্ববিদ্যালয়ের ব্যবসায় প্রশাসন অনুষদের সাথে The Institute of Cost and Management Accountants of Bangladesh (ICMAB) এবং Hossain Mumlook & Co.-এর সঙ্গে দুটি সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত হয়।
বিশ্ববিদ্যালয়ের পক্ষে চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন ব্যবসায় প্রশাসন অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. সাখাওয়াত হোসেন সরকার। প্রতিষ্ঠান দুটির পক্ষে স্বাক্ষর করেন যথাক্রমে ICMAB-এর ভাইস-প্রেসিডেন্ট এস. এম. জহির উদ্দিন হায়দার এবং Hossain Mumlook & Co.-এর প্রিন্সিপ্যাল মো. মামলুক হোসেন।
এই চুক্তির ফলে জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা বিবিএ/এমবিএ সম্পন্ন করার পর সিএমএ প্রোগ্রামে ভর্তি হলে মোট ২০টি কোর্সের মধ্যে সর্বোচ্চ ৬টি কোর্স পর্যন্ত ছাড় পাওয়ার সুযোগ পাবেন। এছাড়া প্রায় তিন মাস মেয়াদি কাঠামোবদ্ধ ইন্টার্নশিপ প্রোগ্রামে অংশগ্রহণের সুযোগ থাকবে। শিক্ষার্থীদের পেশাগত দক্ষতা বৃদ্ধির জন্য প্রশিক্ষণ, কর্মশালা ও সেমিনারের আয়োজন করা হবে। অভিজ্ঞ পেশাজীবীদের মাধ্যমে মেন্টরিং ও কোচিং প্রদান করা হবে, যাতে তাদের জ্ঞান ও দক্ষতা আরও উন্নত হয়। প্রয়োজন অনুযায়ী ফিল্ড ভিজিটের মাধ্যমে বাস্তব অডিট ও কনসালটিং কার্যক্রম সম্পর্কে ধারণা প্রদান করা হবে। পাশাপাশি শিক্ষার্থীদের ধারাবাহিক উন্নয়নের লক্ষ্যে মূল্যায়ন, ফিডব্যাকসহ বিভিন্ন সুযোগ-সুবিধা নিশ্চিত করা হবে।





