চিকিৎসার জন্য লন্ডন সফরে গিয়ে দেশটির বিভিন্ন শপিংমল ও অভিজাত এলাকায় ঘুরে বেড়ানোর অভিযোগ উঠেছে রাষ্ট্রপতিকে ঘিরে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া কয়েকটি ছবি ও ভিডিওতে তাকে পরিবারের সদস্য ও ঘনিষ্ঠদের সঙ্গে কেনাকাটায় ব্যস্ত দেখা গেছে। এরপরই শুরু হয়েছে ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনা।
সরকারের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, রাষ্ট্রপতি নিয়মিত স্বাস্থ্য পরীক্ষা ও চিকিৎসার অংশ হিসেবেই লন্ডনে অবস্থান করছেন। তবে বিরোধী রাজনৈতিক দল ও সমালোচকরা প্রশ্ন তুলেছেন— একজন গুরুতর অসুস্থ ব্যক্তি কীভাবে দীর্ঘসময় শপিং ও ব্যক্তিগত কর্মকাণ্ডে অংশ নিচ্ছেন।
এদিকে রাষ্ট্রপতির সফর ঘিরে সরকারি ব্যয়ের বিষয়টিও সামনে এসেছে। করদাতাদের অর্থে পরিচালিত এই সফরে চিকিৎসার পাশাপাশি ব্যক্তিগত ভ্রমণ বা কেনাকাটা কতটা যৌক্তিক— তা নিয়ে জনমনে তৈরি হয়েছে নানা প্রশ্ন।
সামাজিক মাধ্যমে অনেকে মন্তব্য করছেন, দেশের সংকটময় সময়ে রাষ্ট্রপতির এমন কর্মকাণ্ড সাধারণ মানুষের সঙ্গে এক ধরনের বৈপরীত্য তৈরি করছে। যদিও রাষ্ট্রপতির কার্যালয় এখন পর্যন্ত এ বিতর্ক নিয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে বিস্তারিত কোনো বক্তব্য দেয়নি।
বিশ্লেষকদের মতে, রাষ্ট্রীয় গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিদের বিদেশ সফর ও চিকিৎসা সংক্রান্ত তথ্য আরও স্বচ্ছভাবে প্রকাশ করা হলে এ ধরনের বিতর্ক অনেকটাই এড়ানো সম্ভব।




