ঢাকা | বৃহস্পতিবার, ১৬ জুলাই ২০২৬,১ শ্রাবণ ১৪৩৩

রাবির আইবিএসে থিসিস জমা নিয়ে বিতর্ক / বাতিল হওয়া পিএইচডি গবেষণা ফের তালিকাভুক্ত করলো প্রশাসন

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের (রাবি) ইনস্টিটিউট অব বিজনেস স্টাডিজ (আইবিএস)-এর পিএইচডি গবেষক মোঃ মাকসুদুল আলম (সেশন: ২০১৮-২০১৯) সংক্রান্ত একটি প্রশাসনিক বিবাদে বিশ্ববিদ্যালয়ে বিভ্রান্তি দেখা দিয়েছে। সূত্রে জানা যায়, গবেষক তাঁর থিসিসের প্রি‑সাবমিশন সময়মতো সম্পন্ন করতে পারেননি, ফলে বোর্ড অফ স্টাডিজ জুন মাসের ১২ তারিখ অনুষ্ঠিত সভায় তাঁর পিএইচডি গবেষণা বাতিলের সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে।

এরপর বোর্ডের সেই বাতিল সিদ্ধান্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের ১৩ জুন অনুষ্ঠিত গভর্ন্যান্স মিটিংয়ে উপস্থাপন করা হলে, গভর্ন্যান্স বোর্ড বিষয়টি পুনরায় তালিকাভুক্ত করে এবং সিদ্ধান্তটি পুনর্বিবেচনা করে দেখার জন্য নির্দেশ দেয়। গভর্ন্যান্স মিটিংয়ে কেন পুনর্বিবেচনার নির্দেশ দেয়া হয়েছে সে সম্পর্কে এখনো আনুষ্ঠানিক ব্যাখ্যা প্রকাশ করা হয়নি।

গবেষকের থিসিস বিষয়সমূহের মধ্যে ছিল — “ACADEMIC MISMATCH IN BANGLADESH” ও “ICT SKILLS AND JOBS”। মোঃ মাকসুদুল আলম নিজে এই ঘটনার বিষয়ে বা তাঁর গবেষণার বিষয় নিয়ে কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি।

আইবিএস পরিচালক ড.মোস্তফা কামাল জানান যে সংশ্লিষ্ট গবেষক তার থিসিস রিপোর্ট আইবিএস কর্তৃপক্ষের নিকটে জমা দিয়েছেন এবং ওই প্রসঙ্গে কোনো অনিয়ম ঘটেনি। তবে পরিচালক জমা দেওয়ার বিষয়ে লিখিত বা ডিজিটাল কোনো প্রমাণ সাংবাদিকদের সামনে উপস্থাপন করতে পারেননি। তিনি আরও বলেন, বিষয়টি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যে অবগত আছেন,

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. ফরিদুল ইসলাম বলেন, আইবিএসে ওখানে কোনো ধরনের অনিয়ম হয়নি সেখানে কেউ নোট অফ ডিসেন্টও দেননি। সময় কিছুটা ওভার হয়েছে। ২৪-এর আন্দোলনের’ কারণে সেই গবেষকের থিসিস রিপোর্ট জমা দানের সময় কিছু টা বিলম্ব হয়েছে এই প্রেক্ষিতে আমরা বিষয়টি বিবেচনা করে সর্বসম্মতিক্রমে সিদ্ধান্ত নিয়েছি।