শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন বলেছেন, আমরা সবাই চাই জিপিএ এ-প্লাস। এটা নিয়ে ট্রল হচ্ছে সারাক্ষণ। একবারও বাবা-মা জানতে চায় না, তার ছেলে-মেয়ে সৃজনশীল শিক্ষায় কতটা শিখলো। এজন্য আমরা কারিকুলাম নিয়ে কাজ করা শুরু করেছি।
বুধবার (১৭ জুন) জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রথম ডিন অ্যাওয়ার্ড বিতরণ অনুষ্ঠানে এ কথা বলেন তিনি।
শিক্ষামন্ত্রী আরো বলেন, উই আর অল ইকুয়্যাল। যদি তাই হয় তাহলে আমাদের অ্যাসেটকে কাজে লাগাতে হবে। শুধু হায়ার এডুকেশন না তার সঙ্গে টেকনিক্যাল এডুকেশনের দরকার আছে।
শিক্ষামন্ত্রী আরো বলেন, আমরা শুধু মনে করি জিপিএ এ-প্লাস, জিপিএ এ-প্লাস। এই এ প্লাস নিয়ে আমরা সবাই আছি। মা চায় জিপিএ এ-প্লাস, ছেলে চায় জিপিএ এ-প্লাস, বাবা চায় জিপিএ এ-প্লাস। সবাই চায় জিপিএ এ-প্লাস। এটা ট্রল হচ্ছে সারাক্ষণ। একবারও বাবা-মা জানতে চায় না, আমার ছেলে-মেয়ে সৃজনশীল শিক্ষায় কতটা শিখলো। সেই জন্য আমাদের একাডেমিকের মধ্যে প্রজেক্ট ওরিয়েন্টেড একাডেমিক- এগুলোকে আমরা চেইনে আনতেই হবে। এর কোনো বিকল্প নেই। আমরা কারিকুলাম নিয়ে কাজ করা শুরু করেছি।
তিনি বলেন, আমাদের প্রধানমন্ত্রীকে যদি জিজ্ঞেস করা হয় আপনার কোন ডিপার্টমেন্ট ফেভারিট? তিনি বলবেন শিক্ষা, সেকেন্ডও শিক্ষা এবং থার্ডও শিক্ষা। সেই শিক্ষায় আপনারা কাজ করছেন।
আমাদের প্রধানমন্ত্রী উৎসাহিত করছেন শিক্ষার্থীদের লেখাপড়ার সঙ্গে খেলাধুলা থাকতে হবে। ফ্যামিলিস ভ্যালুজ, রিলিজিয়াস ভ্যালুজ থাকতে হবে। আমাদের ভ্যালুজের অভাব হয়ে দাঁড়িয়েছে। ক্যালচারাল সেক্টরে অনেক পিছিয়ে যাচ্ছি। রিলিজিয়াস সেক্টরে আমরা কেনো ভ্যালুজ দিচ্ছি না। দিস আর দ্যা মেইন আইটেম- আমাদের করতে হবে।
মন্ত্রী বলেন, বিগত ফ্যাসিস্ট সরকার চেয়েছিলো শিক্ষাকে ধ্বংস করে দেয়ার জন্য। আগামী প্রজন্মকে যদি ধ্বংস করতে হয় তাহলে শিক্ষায় যেতে হবে। সাউথ আফ্রিকার বিশ্ববিদ্যালয়ের সামনে লেখা রয়েছে একটি জাতিকে ধ্বংস করার জন্য নিউক্লিয়ার বোমার প্রয়োজন হয় না, শুধু শিক্ষাকে ধ্বংস করে দিলে একটি জাতি ধ্বংস হয়ে যায়। অ্যাম আই রাইট? সেই কাজটি করেছিলো বিগত ফ্যাসিস্ট সরকার। সেখান থেকে আমরা বেরিয়ে আসছি। জাতি আজ সামনের দিকে শিক্ষাকে এগিয়ে নিতে চায়। আজকে আমরা যে লিডার পেয়েছি এই লিডার আর আমরা কখনো পাবো কিনা জানি না।







