ঢাকা | সোমবার, ২৯ জুন ২০২৬,১৫ আষাঢ় ১৪৩৩

৪৭তম বিসিএসে কুবির ছয় শিক্ষার্থীর সাফল্য

বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশনের (পিএসসি) প্রকাশিত ৪৭তম বিসিএসের চূড়ান্ত ফলাফলে সারা দেশে ১ হাজার ৫২১ জন প্রার্থী সুপারিশপ্রাপ্ত হয়েছেন। এর মধ্যে ১ হাজার ৩২০ জন বিভিন্ন ক্যাডার এবং ২০১ জন নন-ক্যাডার পদে সুপারিশ পান। এই ফলাফলে কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের (কুবি) বিভিন্ন বিভাগের এখনো পর্যন্ত ছয়জন শিক্ষার্থী বিভিন্ন ক্যাডারে সুপারিশপ্রাপ্ত হয়েছেন।

সুপারিশপ্রাপ্তদের মধ্যে রয়েছেন ফাইন্যান্স অ্যান্ড ব্যাংকিং বিভাগের ২০১৫-১৬ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী আসগর আলী সামিম, তিনি সাধারণ শিক্ষা (ফাইন্যান্স অ্যান্ড ব্যাংকিং) ক্যাডারে সুপারিশপ্রাপ্ত হয়েছেন।

একই বিভাগের ২০১৪-১৫ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী পাপ্পু সরকারও শিক্ষা ক্যাডারে সুপারিশ প্রাপ্ত হয়েছেন। ফার্মেসি বিভাগের একই শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী রনি দাস কাস্টমস অ্যান্ড এক্সাইজ ক্যাডারে সুপারিশপ্রাপ্ত হয়েছেন।
আইন বিভাগের প্রথম ব্যাচ এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের ২০১৫–১৬ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী কাজী নিহাল হাসনাইন পরিবার পরিকল্পনা ক্যাডারে সুপারিশপ্রাপ্ত হয়েছেন।

গণিত বিভাগের ২০১৭–১৮ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী সাজিদ শান্ত বাংলাদেশ প্রশাসন ক্যাডারে সুপারিশপ্রাপ্ত। এছাড়া বিশ্ববিদ্যালয়ের ২০১৮–১৯ শিক্ষাবর্ষের শারমিন বৃষ্টি শিক্ষা ক্যাডারে সুপারিশপ্রাপ্ত হয়েছেন।

ফাইন্যান্স অ্যান্ড ব্যাংকিং বিভাগের ২০১৪–১৫ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী পাপ্পু সরকার বলেন, “প্রতিটি অর্জনই আনন্দের। তবে ৪৭তম বিসিএসে সুপারিশপ্রাপ্ত হওয়ায় সেই আনন্দ যেন আরও দ্বিগুণ হয়ে গেছে। বর্তমানে আমি কিশোরগঞ্জে বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকে সিনিয়র অফিসার হিসেবে কর্মরত আছি। সারাদিনের কর্মব্যস্ততার শেষে এমন একটি সুখবর সত্যিই অনেক ভালো লাগার এবং অনুপ্রেরণার।”

একই বিভাগের ২০১৫-১৬ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী আসগর আলী সামিম বলেন, “ এই অর্জন আমার কাছে কোনো গন্তব্য নয়, বরং নতুন দায়িত্বের সূচনা। প্রতিটি ব্যর্থতা আমাকে আরও ধৈর্যশীল, আত্মবিশ্বাসী এবং পরিশ্রমী হতে শিখিয়েছে, যা আজকের এই সাফল্যের ভিত্তি তৈরি করেছে। যারা বিসিএস বা অন্য কোনো স্বপ্নের জন্য লড়াই করছেন, তাদের বলব—নিজের ওপর বিশ্বাস রাখুন, নিয়মিত পরিশ্রম করুন এবং ধৈর্য হারাবেন না। সাফল্য কখনো একদিনে আসে না; ধারাবাহিক চেষ্টা, সঠিক পরিকল্পনা এবং মহান আল্লাহর ওপর ভরসাই একজন মানুষকে কাঙ্ক্ষিত লক্ষ্যে পৌঁছে দেয়। মহান আল্লাহ তাআলার কাছে দোয়া করি, তিনি যেন আমাকে সবসময় ন্যায়, সততা ও জনকল্যাণের পথে পরিচালিত করেন এবং দেশ ও মানুষের জন্য কল্যাণকর কাজ করার তাওফিক দান করেন।”