জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে (জবি) নিষিদ্ধ ঘোষিত ছাত্রলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক আক্তার হোসেনের অনুসারী হিসেবে পরিচিত চন্দন ও অর্ঘ্যকে নিয়ে সংবাদ প্রকাশের পর সাংবাদিকদের উদ্দেশে দেওয়া একটি ফেসবুক পোস্টকে কেন্দ্র করে সমালোচনার মুখে পড়েছেন বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রদলের যুগ্ম আহ্বায়ক নাহিয়ান বিন অনিক।
অভিযোগ উঠেছে, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে দেওয়া ওই পোস্টে সাংবাদিকদের উদ্দেশে ব্যবহৃত ভাষা পেশাগত দায়িত্ব পালনে ভয়ভীতি প্রদর্শনের শামিল।
নিজের ফেসবুক পোস্টে ছাত্রদল নেতা অনিক লেখেন, “সত্য না ছেপে যারা হলুদ, গুজব ও মিথ্যার আশ্রয় নেবে, তাদের ছাড় দেওয়ার প্রশ্নই আসে না।” একই পোস্টে তিনি আরও লেখেন, “সাংবাদিক পরিচয়ে কেউ পার পেয়ে যাবে না” এবং “আমি এটার শেষ দেখে ছাড়বো।”
এ ধরনের মন্তব্যকে কেন্দ্র করে সাংবাদিকদের একাংশ উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। তাদের দাবি, সংবাদ প্রকাশের জেরে এ ধরনের বক্তব্য স্বাধীন সাংবাদিকতা ও সংবাদকর্মীদের নিরাপদে পেশাগত দায়িত্ব পালনের পরিবেশের জন্য উদ্বেগজনক এবং এটি পরোক্ষভাবে সাংবাদিকদের প্রতি হুমকি হিসেবে বিবেচিত হতে পারে।
এর আগে শুক্রবার (২৬ জুন) রাতে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে সাংবাদিকদের ওপর হামলার অভিযোগ ওঠে নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের কর্মী হিসেবে পরিচিত চন্দন ও অর্ঘ্যের বিরুদ্ধে। প্রত্যক্ষদর্শীদের ভাষ্য অনুযায়ী, তারা বাঁশ নিয়ে সাংবাদিকদের ওপর হামলা চালায়। এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে বিশ্ববিদ্যালয়জুড়ে ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনার সৃষ্টি হয়। পরবর্তীতে ওই ঘটনা নিয়ে বিভিন্ন গণমাধ্যমে সংবাদ প্রকাশিত হলে অনিকের ফেসবুক পোস্টটি নতুন করে বিতর্কের জন্ম দেয়।





