ঢাকা | সোমবার, ৮ জুন ২০২৬,২৫ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩

চলতি সপ্তাহেই সম্পূরক বৃত্তি পাচ্ছেন জবি শিক্ষার্থীরা

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের (জবি) শিক্ষার্থীদের দীর্ঘ প্রতীক্ষার অবসান হতে যাচ্ছে। বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন জানিয়েছে, চলতি সপ্তাহেই শিক্ষার্থীদের সম্পূরক বৃত্তির অর্থ বিতরণ করা হবে।

রোববার (৭ জুন) পবিত্র ঈদুল আজহার ছুটি ও উপাচার্যের চীন সফর শেষে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় শিক্ষার্থী সংসদ (জকসু)-এর ভিপি, জিএস ও এজিএস বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য এবং প্রক্টরের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাতে এ কথা বলেন জবি উপচার্য।

সাক্ষাতে সম্পূরক বৃত্তি প্রদান, টিএসসি সংস্কার কার্যক্রম, দ্বিতীয় ক্যাম্পাসের উন্নয়ন এবং পুরান ঢাকায় নির্মাণাধীন দুটি আবাসিক হলের অগ্রগতি নিয়ে আলোচনা করা হয়।
আলোচনা শেষে উপাচার্য শিক্ষার্থীদের আশ্বস্ত করে জানান, চলতি সপ্তাহের মধ্যেই সম্পূরক বৃত্তির অর্থ শিক্ষার্থীদের হাতে পৌছে দেওয়া হবে। ফলে বৃত্তির অপেক্ষায় থাকা শিক্ষার্থীদের মধ্যে স্বস্তি ফিরবে বলে আশা করা হচ্ছে।

এছাড়া তিনি জানান, দীর্ঘদিন ধরে আলোচিত টিএসসি সংস্কার কার্যক্রম আগামী মঙ্গলবার থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হবে। শিক্ষার্থীদের জন্য আরও আধুনিক ও কার্যকর পরিবেশ নিশ্চিত করতে এই সংস্কার কার্যক্রম বাস্তবায়ন করা হচ্ছে।

দ্বিতীয় ক্যাম্পাস ও আবাসিক হল নির্মাণকাজের বিষয়ে উপাচার্য বলেন, প্রকল্পগুলোর অগ্রগতি ত্বরান্বিত করতে তিনি চলতি সপ্তাহেই সংশ্লিষ্ট স্থানসমূহ পরিদর্শন করবেন। পরিদর্শনের মাধ্যমে চলমান কাজের বাস্তব অগ্রগতি মূল্যায়ন করে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেওয়া হবে।

সৌজন্য সাক্ষাতে জকসু নেতৃবৃন্দ শিক্ষার্থীদের বিভিন্ন দাবি, সমস্যা ও প্রত্যাশার বিষয়গুলো প্রশাসনের সামনে তুলে ধরেন। বিশ্ববিদ্যালয়ের চলমান উন্নয়ন কার্যক্রম দ্রুত বাস্তবায়নের মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের শিক্ষা ও আবাসন-সংক্রান্ত সুবিধা আরও সম্প্রসারিত হবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করা হয়।

এ বিষয়ে ভূগোল ও পরিবেশ বিভাগের শিক্ষার্থী মাহমুদুল হাসান বলেন, “সম্পূরক বৃত্তির অর্থ শিক্ষার্থীদের জন্য অনেক গুরুত্বপূর্ণ। বিশেষ করে অর্থনৈতিকভাবে অসচ্ছল শিক্ষার্থীরা এই অর্থের ওপর নির্ভরশীল। প্রশাসনের পক্ষ থেকে চলতি সপ্তাহেই বৃত্তি প্রদানের আশ্বাস শিক্ষার্থীদের মধ্যে স্বস্তি তৈরি করেছে। আমরা আশা করি, নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই বৃত্তির অর্থ বিতরণ করা হবে।”

পদার্থ বিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থী মোকসেদুল ইসলাম সিরাজ বলেন, “শুধু সম্পূরক বৃত্তি নয়, টিএসসি সংস্কার ও দ্বিতীয় ক্যাম্পাসের অগ্রগতির বিষয়গুলোও শিক্ষার্থীদের দীর্ঘদিনের প্রত্যাশা। প্রশাসনের এই উদ্যোগগুলো দ্রুত বাস্তবায়িত হলে শিক্ষার্থীদের শিক্ষাজীবন আরও গতিশীল ও সুবিধাজনক হবে।”