লালমনিরহাটের পাটগ্রাম উপজেলার বামনদল সীমান্ত দিয়ে গভীর রাতে ১২ জনকে বাংলাদেশে পুশইনের চেষ্টা চালিয়েছে বিএসএফ। তবে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশের (বিজিবি) কঠোর নজরদারি ও তাৎক্ষণিক বাধায় বিএসএফের সেই চেষ্টা ব্যর্থ হয়েছে। বর্তমানে ওই ১২ জন শূন্যরেখা থেকে ১০০ গজ ভারতের অভ্যন্তরে অবস্থান করছেন বলে বিজিবি ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে।
বিজিবি ও স্থানীয় সূত্র জানায়, শনিবার দিবাগত রাত ৩টার দিকে বুড়িমারী বামনদল সীমান্ত দিয়ে দুই শিশু, দুই নারী ও আট পুরুষকে বাংলাদেশে পুশইনের চেষ্টা করে বিএসএফ। বিষয়টি টের পেয়ে সীমান্তে দায়িত্বরত বিজিবির টহল দল দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে শক্ত অবস্থান নেয়। বিজিবির প্রতিরোধের মুখে বিএসএফ পিছিয়ে যায়।
এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে সীমান্ত এলাকায় থমথমে পরিস্থিতি বিরাজ করছে এবং স্থানীয়দের মাঝে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে।
স্থানীয় সূত্র জানায়, ওই ১২ জন বর্তমানে সীমান্তের প্রায় ১০০ গজ ভারতের অভ্যন্তরে অবস্থান করছেন। পুনরায় যেন কোনো অনুপ্রবেশের ঘটনা না ঘটে, সে জন্য ওই সীমান্ত এলাকায় বিজিবির টহল ও গোয়েন্দা নজরদারি ব্যাপকভাবে জোরদার করা হয়েছে। যেকোনো ধরনের অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতি এড়াতে সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থানে রয়েছেন বিজিবি সদস্যরা।
এদিকে এ ঘটনার তীব্র প্রতিবাদ জানিয়েছে বাংলাদেশ বর্ডার গার্ড। রোববার সকালে বিএসএফকে এই ঘটনার কারণ জানতে চেয়ে এবং আনুষ্ঠানিকভাবে প্রতিবাদ জানিয়ে পতাকা বৈঠকের (ফ্ল্যাগ মিটিং) আহ্বান করেছে বিজিবি।
সীমান্তের বাসিন্দা আবদুল গফুর (৬০) অভিযোগ করে বলেন, ‘বিএসএফের আগ্রাসী তৎপরতা কিছুদিন বন্ধ ছিল। কিন্তু যখন হিন্দু সম্প্রদায়ের সবচেয়ে বড় ধর্মীয় উৎসব শারদীয় দুর্গোৎসব শুরু হয়েছে।
এ ব্যাপারে ৬১ বিজিবি তিস্তা ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো. শাহিনুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করে সাংবাদিকদের বলেন, ‘আমরা এ ঘটনার তীব্র প্রতিবাদ জানিয়ে বিএসএফকে পতাকা বৈঠকের আহ্বান জানিয়েছি। পতাকা বৈঠকের মাধ্যমে পুরো বিষয়টি সমাধানের জোর চেষ্টা চলছে। সীমান্ত সুরক্ষিত রাখতে বিজিবির নজরদারি অব্যাহত রয়েছে





