এআই প্রযুক্তি দিয়ে ভূয়া ছবি তৈরি করে সম্প্রতি একটি ভূঁইফোড় অনলাইন পোর্টাল ও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের একটি পেইজ থেকে স্বেচ্ছাসেবক দলের কেন্দ্রীয় কমিটির ১ নং সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক গাজী সুলতান জুয়েলের বিরুদ্ধে অপপ্রচার চালানো হয়েছে। প্রকাশিত সংবাদকে সম্পূর্ণ মিথ্যা, বানোয়াট দাবি করে আইনগত ব্যবস্থা নিয়েছেন গাজী জুয়েল।
প্রচারিত ভূয়া সংবাদ এবং ফেসবুক পেইজের পোস্টে দাবি করা হয়, “স্বেচ্ছাসেবক দলের নেতা পরিচয়ে চাঁদা দাবি করতে গিয়ে গণধোলাইয়ের শিকার হয়েছেন গাজী জুয়েল”, কিন্তু প্রচারিত ছবি ও সংবাদ পর্যালোচনা করে দেখা যায় যে, উপরোক্ত ঘটনার সাথে বাস্তব কোনো মিল নেই বরং এআই প্রযুক্তির অপব্যবহার করে অপপ্রচার চালানো হয়েছে।
এই ঘটনার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়ে সেই সংবাদ মাধ্যম বরাবর এবং সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে আইনি নোটিশ পাঠিয়েছে ভুক্তভোগী স্বেচ্ছাসেবক দল নেতা গাজী জুয়েল।
আইনি নোটিশে, গাজী জুয়েলকে “চাঁদাবাজ, খুনি, সন্ত্রাসী, প্রতারক” ইত্যাদি আখ্যা দিয়ে তাঁর সামাজিক, রাজনৈতিক ও ব্যক্তিগত সুনাম ক্ষুণ্ণ করার অপচেষ্টার অভিযোগ আনা হয়েছে বলে উল্লেখ করা হয়। এছাড়াও প্রকাশিত সকল মিথ্যা সংবাদ, পোস্ট, ভিডিও, লিংক ২৪ ঘণ্টার মধ্যে সকল প্ল্যাটফর্ম থেকে অপসারণ করতে বলা হয়েছে। সেই সাথে সংবাদ মাধ্যমকে সুস্পষ্ট ও নিঃশর্ত লিখিত ক্ষমা ও ভবিষ্যতে এ ধরনের অপপ্রচার থেকে বিরত থাকার নিশ্চয়তা দেওয়ার কথা বলা হয়। অন্যথায় দণ্ডবিধির ৪৯৯, ৫০০, ৫০১ ও ৫০২ ধারা এবং ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন, ২০১৮ অনুসারে মামলা ও ক্ষতিপূরণের মামলা দায়ের করা হবে বলে নোটিশে সতর্ক করা হয়েছে।
এ বিষয়ে গাজী জুয়েল বলেন, কিছু অসাধু অবৈধ কালো টাকার মালিক নয়া বিএনপি সাজতে গিয়ে আমার বিরুদ্ধে এআই দিয়ে উদ্দেশ্য প্রণোদিতভাবে এ ধরনের জঘন্য মিথ্যা অপপ্রচার চালাচ্ছে। আমি এদের বিরুদ্ধে আইনগত পদক্ষেপ নিচ্ছি।

তিনি বলেন, সম্ভাব্য কেন্দ্রীয় কমিটিকে কেন্দ্র করে একটি কুচক্রী মহল পরিকল্পিতভাবে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) প্রযুক্তি ব্যবহার করে ভুয়া ও বিভ্রান্তিকর ছবি তৈরি করে জনমনে বিভ্রান্তি সৃষ্টি করে তার দীর্ঘ রাজপথের শ্রম এবং গ্রহণযোগ্যতাকে প্রশ্নবিদ্ধ করতে মরিয়া হয়ে উঠেছে। শুধুমাত্র রাজনৈতিক প্রতিহিংসা ও চরিত্র হননের উদ্দেশ্যে এ ধরনের অপপ্রচার চালানো হচ্ছে।
গাজী সুলতান জুয়েল তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের একজন মেধাবী শিক্ষার্থী ছিলেন। তার পাশাপাশি ছাত্রদল, কেন্দ্রীয় ছাত্রদল এবং স্বেচ্ছাসেবক দলের কেন্দ্রীয় সংসদের গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করেন। বর্তমানে তিনি জাতীয়তাবাদী স্বেচ্ছাসেবক দল কেন্দ্রীয় কমিটির ১নং সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।
তিনি তার রাজনৈতিক জীবনে নানা আন্দোলন-সংগ্রামে সক্রিয় ভূমিকা পালন করে বিভিন্ন সময় একাধিকবার হামলা, মামলা, গুম, জেল-জুলুম ও নির্যাতনের শিকার হয়। রাজনৈতিক জীবনে তাকে অসংখ্যবার কারাবরণও করতে হয়েছে বলে জানা যায়।





