ভারত-শ্রীলঙ্কা নারী এশিয়া কাপ ফাইনাল শেষ হওয়ার ২৪ ঘণ্টাও পার হয়নি। এরই মধ্যে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট সংস্থা (আইসিসি) ভারতের নারী ক্রিকেটার ক্রান্তি গৌড়কে কড়া শাস্তি দিয়েছে। যেখানে জড়িয়ে আছেন বাংলাদেশের দুই আম্পায়ার ও এক ম্যাচ রেফারি।
আইসিসি আজ এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে গৌড় এবং পাকিস্তান নারী ক্রিকেট দলকে শাস্তির কথা নিশ্চিত করেছে। গতকাল দুবাইয়ে অনুষ্ঠিত ফাইনাল আইসিসির আচরণবিধির লেভেল-১ ভঙ্গ করায় ভারতের নারী ক্রিকেটারকে ম্যাচ ফির ১০ শতাংশ জরিমানা করা হয়েছে। পাশাপাশি তাঁর নামের পাশে যোগ হয়েছে একটা ডিমেরিট পয়েন্টও। মাঠের আম্পায়ার শাথিরা জাকির জেসি ও সালিমা ইমতিয়াজ, তৃতীয় আম্পায়ার রোকেয়া সুলতানা এবং চতুর্থ আম্পায়ার হুমায়রা ফারাহ তাঁর বিরুদ্ধে এই অভিযোগ আনেন। ম্যাচ রেফারি সুপ্রিয়া রানী দাস শাস্তি দিয়েছেন গৌড়কে।
ভারত-শ্রীলঙ্কা ফাইনালে আইসিসির পাঁচ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে তিনজন বাংলাদেশি এবং দুইজন পাকিস্তানি। বাংলাদেশি তিন কর্মকর্তা হলেন জেসি, রোকেয়া ও সুপ্রিয়া। আর হুমায়রা, সালিমা পাকিস্তানি। গৌড়ের বিরুদ্ধে আইসিসির খেলোয়াড় ও খেলোয়াড় সহায়ক কর্মীদের আচরণবিধির ২.৫ নম্বর ধারা ভঙ্গের অভিযোগ উঠেছে। এই আইন অনুযায়ী, কোনো আন্তর্জাতিক ম্যাচে ব্যাটারকে আউট করার পর এমন ভাষা, আচরণ বা অঙ্গভঙ্গির মাধ্যমে ব্যাটারকে উত্তেজিত করার শাস্তি দেওয়া হয়েছে ভারতীয় নারী ক্রিকেটারকে।
গৌড়ের ঘটনাটি ঘটেছে গতকাল ফাইনালে যখন শ্রীলঙ্কা চ্যাম্পিয়ন হতে ১৮৪ রানের লক্ষ্যে ব্যাটিং করছিল। ইনিংসের প্রথম ওভারের চতুর্থ বলে লঙ্কান ওপেনার আইমেশা দুলানিকে বোল্ড করার পর গৌড় ড্রেসিংরুমের দিকে ইঙ্গিত করেছেন। গত ২৪ মাসে এটা তাঁর প্রথম অপরাধ। লেভেল-১ লঙ্ঘনের সর্বনিম্ন শাস্তি আনুষ্ঠানিক তিরস্কার। সর্বোচ্চ শাস্তি হলো খেলোয়াড়ের ম্যাচ ফির ৫০ শতাংশ জরিমানা এবং নামের পাশে এক বা দুই ডিমেরিট পয়েন্ট।
ডাম্বুলায় সবশেষ ২০২৪ নারী এশিয়া কাপে ভারতকে হারিয়েই চ্যাম্পিয়ন হয়েছিল শ্রীলঙ্কা। দুবাইয়ে গতকাল লঙ্কানদের ৭২ রানে হারিয়ে ভারত নিয়েছে প্রতিশোধ। তবে চ্যাম্পিয়ন হওয়ার পর শিরোপা নেয়নি ভারত। কারণ, এশিয়ান ক্রিকেট কাউন্সিলের (এসিসি) প্রেসিডেন্ট মহসিন নাকভি একই সঙ্গে পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ডেরও (পিসিবি) চেয়ারম্যান। একই সঙ্গে পাকিস্তানের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর দায়িত্বেও আছেন নাকভি।









