অ্যান্থনি গর্ডনের গোলে পিছিয়ে পড়েও এনজো ফার্নান্দেজ ও লাওতারো মার্তিনেজের শেষ মুহূর্তের নাটকীয় জাদুতে ইংল্যান্ডকে ২-১ গোলে হারিয়ে টানা দ্বিতীয়বার বিশ্বকাপের ফাইনালে উঠেছে আর্জেন্টিনা।
আর্জেন্টিনা বিশ্বকাপের ফাইনালে তারা মুখোমুখি হবে স্পেনের। ২০১০ সালের চ্যাম্পিয়নরা প্রথম সেমিফাইনালে ফ্রান্সকে ২-০ ব্যবধানে হারিয়েছে। তৃতীয় স্থান নির্ধারণী ম্যাচ হবে ইংল্যান্ড ও ফ্রান্সের মধ্যে।
আটালান্টা স্টেডিয়ামে ফাউলের ছড়াছড়ির ম্যাচে ৫৫ মিনিটে ইংল্যান্ড এগিয়ে যায়। মর্গান রর্জাস ডান উইংয়ে বল পেয়ে অনেকটা দূর থেকে ডি বক্সে বাড়িয়ে দিয়েছিলেন। বাঁপ্রান্ত দিয়ে বক্সে ঢোকা অ্যান্তোনি গর্ডন এক পাসেই বল জালে পাঠান। এমি মার্তিনেজ ঝাঁপিয়ে পড়লেও কোনো লাভ হয়নি।

এরপর রক্ষণাত্মক ফুটবল খেলতে শুরু করে ইংল্যান্ড। ফলস্বরূপ মুহুর্মুহু আক্রমণ শাণায় মেসির আর্জেন্টিনা। ৮৫ মিনিটে সমতায় ফেরার আগে বেশ কয়েকবার গোলের সুবর্ণ সুযোগ তৈরি করেও ব্যর্থ হয় তারা। ৮৫ মিনিটে মেসি বল বাড়িয়ে দিয়েছিলেন এনজোর কাছে। বক্সের বাইরে থেকে নেওয়া শটে জর্ডান পিকফোর্ডকে পরাস্ত করেন তিনি।
পরের গোলটিও মেসিরই বানিয়ে দেওয়া। ডানপ্রান্ত থেকে ক্রস দিয়েছিলেন আর্জেন্টাইন জাদুকর। দূরের পোস্টের কাছে দাঁড়িয়ে থাকা লাওতারো লাফিয়ে উঠে ব্যবধান ২-০ করেন। ইংল্যান্ড এরপর আক্রমণাত্মক হলেও গোল আর করতে পারেনি। ১৯৬৬ সালে চ্যাম্পিয়ন হওয়ার পর এ নিয়ে তিনবার সেমিফাইনাল থেকে বাদ গেল তারা।





