মানুষের ভোটাধিকার রক্ষায় এবার দিল্লিতে বড় ধরনের বিক্ষোভের ডাক দিয়েছে বিরোধী ইন্ডিয়া জোট। শনিবার (১০ অক্টোবর) আলপ্পুঝায় সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলার সময় সর্বভারতীয় কংগ্রেস কমিটির সাধারণ সম্পাদক কে সি বেণুগোপাল এ কথা জানান।
তিনি বলেন, সংবিধানের সুরক্ষা ও জনগণের ভোটাধিকার রক্ষার এই চলমান লড়াইয়ের অংশ হিসেবে আগামী সোমবার (১২ অক্টোবর) রাজধানী দিল্লিতে এক বিশাল বিক্ষোভ কর্মসূচির আয়োজন করবে ইন্ডিয়া জোট। সম্প্রতি এই ইস্যুতে নিজেদের উদ্বেগ জানাতে রাষ্ট্রপতির সঙ্গে দেখা করেছেন জোটের নেতারা। সোমবার ভারতের প্রধান বিচারপতির সঙ্গেও তাদের সাক্ষাৎ করার কথা রয়েছে।
সংবাদ সম্মেলনে প্রধান নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারকে সুরক্ষা দেয়ার ‘অপচেষ্টার’ জন্য প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহর তীব্র সমালোচনা করেন বেণুগোপাল। তিনি অভিযোগ করে বলেন, ‘নির্বাচন কমিশনারকে আড়াল করার এই প্রক্রিয়াই মোদি ও শাহের পতনের কারণ হবে।’
তিনি আরও দাবি করেন, ‘প্রধানমন্ত্রী মোদির আচরণ দেখে মনে হচ্ছে, তিনি পতনের দ্বারপ্রান্তে রয়েছেন। বিরোধীদের আন্দোলনকে তিনি ভয় পাচ্ছেন।’ ককরোচ জনতা পার্টির (সিজেপি) ঘোষিত শনিবারের বিক্ষোভ ঠেকাতে দিল্লিতে রীতিমত লকডাউন জারি করেছে ভারত সরকার। বন্ধ করে দিয়েছে মেট্রো স্টেশন ও সারা দেশের সঙ্গে দিল্লির রেল যোগাযোগ। মাঠে নামানো হয়েছে হাজার হাজার সশস্ত্র পুলিশ সদস্য।
নির্বাচনি প্রক্রিয়া ও ব্যবস্থা সম্পূর্ণ অবাধ এবং সুষ্ঠু না হওয়া পর্যন্ত কংগ্রেস ও ইন্ডিয়া জোট তাদের সংগ্রাম চালিয়ে যাবে বলে হুঁশিয়ারি দেন এই কংগ্রেস নেতা। কেরালা রাজ্যের পরিস্থিতি তুলে ধরে বেণুগোপাল বলেন, কেরালায় ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধনের (এসআইআর) বিরুদ্ধে কংগ্রেস অত্যন্ত সতর্কতার সঙ্গে পদক্ষেপ নিয়েছে। একই সঙ্গে নির্বাচন কমিশনের লেটারহেডে ভারতীয় জনতা পার্টির (বিজেপি) নির্বাচনি প্রতীক ‘পদ্ম’ ভেসে ওঠার বিতর্কের বিষয়টিও তিনি উল্লেখ করেন।




