স্থায়ী ঠিকানা বা নিজ ভিটেবাড়ি না থাকার কারণে বঞ্চিত ঝিনাইদহের প্রার্থী মিশন আচার্য সরকারি চাকরি পেতে যাচ্ছেন।প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী মো. রাশেদ খাঁন রোববার (৪ অক্টোবর) তাকে নিয়ে শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলনের সাথে সাক্ষাতের পর ফেসবেুকে স্ট্যাটাসে এতথ্য জানিয়েছেন।
সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক পদে চূড়ান্ত সুপারিশ পেয়েও নিয়োগ না পাওয়া মিশন আচার্যকে সাথে নিয়ে শিক্ষামন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাতের সময় শিক্ষা কর্মকর্তার কথোপকথোনের ভিডিয়ো শেয়ার করেন রাশেদ খাঁন। শিক্ষামন্ত্রীর কথোপকথোন থেকে শোনা যায়, আপনার এখানে জনাব মিশন আচার্যকে বাদ দেওয়া হয়েছে।
এটা কি অনুপস্থিত কোনো কিছু লেখা ছিল?
ওপাশ থেকে ওই কর্মকর্তা বলেন, স্যার, লেখা ছিল স্থায়ী ঠিকানা বা আবাসন নেই।
তখন শিক্ষামন্ত্রী ওই কর্মকর্তাকে বলেন, আবাসন না থাকলে বানিয়ে দেবেন।
কোন কনস্টিটিউশনে (সংবিধানে) লেখা আছে, আবাসন না থাকলে চাকরি দেওয়া যাবে না?
ওই কর্মকর্তা আমতা আমতা করে বলেন, স্যার, স্থায়ী ঠিকানার জন্য আমরা…।
শিক্ষামন্ত্রী বলেন, স্থায়ী ঠিকানার জন্য আবাসন লাগবে, বাংলাদেশে কি ১৮ কোটি মানুষের আবাসন আছে?
কর্মকর্তার উত্তর, সেজন্য আমরা অধিদপ্তরের মতামত চেয়েছিলাম…।
শিক্ষামন্ত্রী রুঢ় কণ্ঠে বলেন, এখানে মতামতের কী আছে? আপনি অধিদপ্তরে এটা পাঠাবেন কেন, হোয়াই? আমরা কি বলেছি যার জায়গা জমি নেই, সে শিক্ষক হতে পারবে না?
কর্মকর্তা বলেন, না স্যার…।
জবাব চেয়ে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, আপনি কেন ওকে বাদ দিলেন? আপনাকে কোনো সার্কুলার দেওয়া হয়েছে যে, আবাসন না থাকলে নিয়োগ দেওয়া যাবে না?
ওই কর্মকর্তা বলেন, না স্যার।
শিক্ষামন্ত্রী তখন বলেন, আপনি কোন বেসিসে বাদ দিলেন?
শিক্ষা কর্মকর্তা বলেন, আমাদের বিভাগের যে মিটিং হয়েছিল সেখানে জিজ্ঞাসা করেছিলাম। ওখানে বলেছিল যে, এটার বিষয়ে মতামত চাওয়া যেতে পারে।
শিক্ষামন্ত্রী বলেন, আপনি কি মতামতের কাগজ আমার কাছে পাঠিয়েছেন?
কর্মকর্তা তখন বলেন, স্যার, অধিদপ্তরে পাঠিয়েছি।
শিক্ষামন্ত্রী তখন বলেন, কবে পাঠিয়েছেন?
এক মিনিট ৪৪ সেকেন্ডের ওই ভিডিয়োতে দেখা যায়, এরপর উপস্থিত কর্মকর্তাদের প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালককে ফোন দিতে বলেন শিক্ষামন্ত্রী।





